বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং দলীয় মুখপাত্রের পদ ছেড়েছেন কুণাল ঘোষ। নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেল থেকে মুছে দেন রাজনীতিবিদের পরিচয়। আর সেই পদক্ষেপের ২৪ ঘন্টা অতিক্রান্ত হবার আগেই ফের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করলেন তিনি। স্পষ্ট করলেন নিজের অবস্থান। ঠিক কী লিখেছেন কুণাল ঘোষ?
আরও পড়ুন: রাজভবনে মুখোমুখি মোদি-মমতা, বিতর্কের আবহে কী কথা হবে দু’জনের?
এক্স হ্যান্ডেলে কুণাল লিখেছেন, “তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র পদে থাকতে চাইছি না। সিস্টেমে আমি মিসফিট। আমার পক্ষে কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। আমি দলের সৈনিকই থাকব। দয়া করে দলবদলের রটনা বরদাস্ত করবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার নেত্রী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার সেনাপতি, তৃণমূল আমার।” তৃণমূল সূত্রে খবর, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং দলীয় মুখপাত্রের পদে ইস্তফা দেবার পাশাপাশি কুণাল ঘোষ দলের মুখপাত্রদের হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং প্রাপ্ত নিরাপত্তাও ছেড়ে দিয়েছেন।
আমি @AITCofficial এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র পদে থাকতে চাইছি না। সিস্টেমে আমি মিসফিট। আমার পক্ষে কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। আমি দলের সৈনিক হিসেবেই থাকব। দয়া করে দলবদলের রটনা বরদাস্ত করবেন না। @MamataOfficial আমার নেত্রী, @abhishekaitc আমার সেনাপতি, @AITCofficial আমার…
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 1, 2024

অন্যদিকে, শুক্রবার আবার রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরামবাগে সভা করেছেন তিনি। মুখ খুলেছেন সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে। সেই প্রসঙ্গে আবার কুণাল ঘোষ লিখেছেন, “নরেন্দ্র মোদি বাংলার মাটিতে একরাশ কুৎসা করে গেলেন। যুক্তিতে তাঁকে ধুয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ঘটনা হল তাঁর কড়া সমালোচনার মূল দায়িত্ব যাঁদের, দুটি আলাদা বিরোধী দলের লোকসভার দলনেতারা তো প্রধানমন্ত্রীরই লোক। এঁদের সঙ্গে বিজেপির যোগাযোগ। এই দুজনকে দুভাবে ব্যবহার করেন মোদি। একজনকে রোজ ভ্যালি থেকে বাঁচিয়ে গলায় বকলস পরিয়ে রেখেছেন।”

পদ ছাড়লেও তৃণমূলেই আছেন, নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আর কী বললেন কুণাল?
প্রথম যে পোস্টটি কুণাল করেছিলেন সেখানে লেখেন, “নেতা অযোগ্য গ্রুপবাজ স্বার্থপর। সারাবছর ছ্যাঁচড়ামি করবে আর ভোটের মুখে দিদি, অভিষেক। দলের প্রতি কর্মীদের আবেগের উপর ভর করে জিতে যাবে, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করবে, সেটা বারবার হতে পারে না।”
নেতা অযোগ্য গ্রুপবাজ স্বার্থপর। সারাবছর ছ্যাঁচড়ামি করবে আর ভোটের মুখে দিদি, অভিষেক, @AITCofficial দলের প্রতি কর্মীদের আবেগের উপর ভর করে জিতে যাবে, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করবে, সেটা বারবার হতে পারে না।
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) February 29, 2024




