নজরবন্দি ব্যুরো: ফের জনসাধারনের পাশেই কলকাতা পুলিশ, তৈরি হল গ্রিন করিডোর চিকিৎসা পেলেন ছোট্ট কোভিড রোগী। কোভিড যুদ্ধে কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশ সব সময় প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে কাজ করেছে। আর এই কাজ করতে গিয়েই অনেক পুলিশ অফিসার অনেক পুলিশকর্মী কবিতা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবুও তাদের দায়িত্ব বা কর্তব্য থেকে এক পাও পিছনে সরে আসেননি এই সমস্ত পুলিশ অফিসার বা পুলিশকর্মীরা। কলকাতা পুলিশ যে সবসময় মানুষের পাশে এবং মানুষের কাছে আছেন তার একটা বড় প্রমাণ সেই তাড়া দিলেন।
আরও পড়ুনঃ এবার বেসুরো রূপা গাঙ্গুলী! তবে কি আরও এক নেত্রী কে হারাতে চলেছে রাজ্য বিজেপি?


কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজ এ সেই ঘটনার বর্ণনা করা আছে আমরা সেই ঘটনা ও হুবুহু তুলে ধরলাম আমাদের দর্শকদের কাছে দেখে নিন কি কি কাজ করেছে কলকাতা পুলিশ। শনিবার, ১২ জুন, আমাদের ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে খবর আসে যে আলিপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাত বছরের একটি শিশুকন্যার মধ্যে কোভিড-পরবর্তী কিছু গুরুতর জটিলতা দেখা দিয়েছে, যার চিকিৎসা সেই হাসপাতালে হওয়া সম্ভব নয়, যেহেতু শিশু চিকিৎসার সবরকম পরিকাঠামো সেখানে নেই। অবস্থার ক্রমশ অবনতি হচ্ছে বুঝে চিকিৎসকরা মেয়েটির বাবা-মাকে পরামর্শ দেন, ইএম বাইপাসের ধারে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে যত দ্রুত সম্ভব স্থানান্তরিত করা হয়, যাতে তার যথাযথ চিকিৎসা হতে পারে।
আমাদের ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে শিশুটির বাবা-মা ফোন করে জানান তাঁদের পরিস্থিতির কথা। সেই খবর আমরা পৌঁছে দিই তিলজলা ট্রাফিক গার্ডে, যেখানে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেন ওসি, ইনস্পেকটর সৌভিক চক্রবর্তী। কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে তিলজলা ট্রাফিক গার্ডের সমন্বয়ের কল্যাণে তৈরি হয় গ্রিন করিডোর, যার ফলে আলিপুর থেকে বাইপাসের হাসপাতালে খারাপ আবহাওয়া এবং অন্যান্য বাধা অতিক্রম করেও ছোট্ট রুগির অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যায় মাত্র ১৫ মিনিটে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন শিশুটির উদ্বিগ্ন বাবা-মা।
কলকাতা পুলিশের সকলের পক্ষ থেকে তার জন্য রইল দ্রুত আরোগ্য কামনা। কলকাতা পুলিশের এই কাজকে আমরা অর্থাৎ নজরবন্দি জানাচ্ছে হাজারো কুর্নিশ সঙ্গে সেই ছোট্ট কোভিড আক্রান্ত শিশুটির জন্য রইল দ্রুত আরোগ্য কামনা আর প্রার্থনা।










