নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়েক ঘণ্টা পরেই কলকাতায় পুরযুদ্ধ। ছোট লালবাড়ি দখলের লড়াই। জোরকদমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে। রাজ্য পুলিশের মোট ২৩ হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ভোটের দায়িত্বে। ১৪৪ টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি বুথে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ। শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। কার্যত নজিরবিহিন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে তিলোত্তমাকে।
আরও পড়ুনঃ সকাল থেকে চলছে নাকা চেকিং, উত্তেজনাপ্রবন বুথের তালিকা প্রকাশ


শহরের প্রায় ৫০টি জায়গায় নাকা চেকিং পয়েন্ট করা হয়েছে। সীমানা এলাকাগুলিতে অন্য জেলার পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে নাকা চেকিং করছে কলকাতা পুলিশ। কলকাতার সীমানায় জোকা এলাকায় ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা, বিষ্ণপুর ও ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ যৌথভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। নাকা চেকিং করছে হাওড়া পুলিশও। সল্টলেক থেকে কলকাতামুখী গাড়িগুলিতেও করা হচ্ছে নাকা চেকিং। এলাকায় এলাকায় কলকাতা পুলিশের স্পেশাল কম্যান্ডো ফোর্স রুটমার্চ করছে।
কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের সবকটি বুথেই থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। কমিশনের তরফে প্রকাশিত তালিকায় বলা হয়েছে, কলকাতা পুরসভার মোট বুথের সংখ্যা ৪,৯৫৯ টি। কলকাতা পুরসভার ১৬ টি বরোর মধ্যে ১১৩৯ টি বুথ উত্তেজনাপ্রবন। এর মধ্যে ৭৮৬ টি বুথে স্পর্শকাতর। সবচেয়ে বেশী স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে সাত বম্বর বরোতে। যেখানে বুথের সংখ্যা ২৫০ টি। সবচেয়ে কম স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ১৩ নম্বর বরোতে। বুথের সংখ্যা ২২ টি।
কয়েক ঘণ্টা পরেই কলকাতায় পুরযুদ্ধ, শহরজুড়ে ভারি বুটের খটখট শব্দ

বহিরাগতদের প্রবেশ আটকাতে কলকাতা পুলিশের নাকা চেকিং চলছে। নাকা চেকিং চলছে নিউ মার্কেট এলাকায়। বিশেষ নজরদার রয়েছে চিংড়িঘাটা এলাকায়। সেখানে নজরদারি রয়েছে বিধাননগর পুলিশের। আলাদা করে নজর রয়েছে নরেন্দ্রপুর এলাকায়। বাইক আরোহী এবং পথ চলতি মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঢালাই ব্রিজ এবং শীতলা মন্দির এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। রাস্তার পাশাপাশি হোটেল গুলিতে চেকিং চালাচ্ছে পুলিশ। শহরের নির্মিয়মান বাড়ি, বহুতল এবং গেস্ট হাউজগুলিতেও রয়েছে পুলিশের নজরদারি।









