নজরবন্দি ব্যুরো: ছন্দে ফিরছে তিলোত্তমা। শুরু হচ্ছে মেট্রো পরিষেবা। ৭ই সেপ্টেম্বর থেকে চলবে কলকাতা মেট্রো। প্রত্যাশা ছিলই এবার তা পূরণ হল। তবে মেট্রো পরিষেবা চালু হলেই এখন সবাই মেট্রোতে চড়ার সুযোগ পাবেন না। মেট্রোতে তারাই চড়তে পারবেন যাদের কাছে রয়েছে স্মার্ট কার্ড। টিকিট কেটে বা টোকেন কিনে চড়া যাবেনা মেট্রোরেল। মেট্রো চলবে প্রত্যাশা আগেই ছিল। গতকাল রেল কে চিঠি দেয় নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মত রাজ্য সরকার লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালাতে চায় বলে চিঠি দেন রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান কে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার চিঠিতে জানান, লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালাতে রাজ্য সরকার আগ্রহী।
আর পড়ুনঃ ৯ ই সেপ্টেম্বর প্রত্যেক বছর পালিত হবে ‘স্টুডেন্ট -ডে’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।


ছন্দে ফিরছে তিলোত্তমা। শুরু হচ্ছে মেট্রো পরিষেবা। যথাযথ সামাজিক দূরত্ব ও নিয়ম বিধি মেনে রাজ্যে ট্রেন চালানো যেতে পারে বলে জানায় রাজ্য। এছাড়াও এই চিঠিতে রাজ্য সরকার রেল পরিষেবা চালু জন্য রেল কর্তৃপক্ষ থেকে যা করার প্রয়োজন তা করতে এবং জানাতে অনুরোধ করা হয় রাজ্যকে। কারণ ছিল, দ্রুত যাতে চালু করা যায় এই পরিষেবা। উল্লেখ্য, এই চলতি সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত করে জানিয়েছিলেন নিয়ম বিধি মেনে রাজ্যে সেপ্টেম্বর থেকে মেট্রো ও লোকাল ট্রেন চালু করা যেতে পারে। তারপরই এই চিঠি দেন স্বরাষ্ট্রসচিব।
গত মার্চ মাস থেকে রাজ্য সহ সমগ্র দেশে মেট্রো রেল পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। মেট্রোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও নিয়ম মানা গেলেও কার্যত অসম্ভব লোকাল ট্রেনের ক্ষেত্রে তা মানা। এখন এটাই দেখার, কিভাবে প্রতিটি নিয়ম-নীতি মেনে ট্রেন চালু করা হয়। এখন এটারই অপেক্ষা করছে রাজ্যের সাধারণ জনগণ। কারণ ,প্রত্যেকের সমস্যা হচ্ছে। এই সমস্যা থেকে কবে মুক্তি পাবে ,সেই দিকে তাকিয়ে সকলে। প্রসঙ্গত, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হতে পারে লোকাল ট্রেন, ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা।
এদিকে Unlock 4 – এর গাইডলাইন জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেখানেই মেট্রো পরিষেবা শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে । মেট্রো না চলায় যাত্রীদের পুরো ভারটাই সামলাতে হচ্ছে বাসকে। এর ফলে বাসে ব্যাপক ভিড় হচ্ছে। ফলে শারীরিক দূরত্ববিধি কোনো ভাবেই পালন করা যাচ্ছে না। লোকাল ট্রেন চলার ব্যাপারে কিছু সিদ্ধান্ত আপাতত না হলেও সূত্রের খবর শুরুতে পঁচিশ শতাংশ লোকাল ট্রেন চালানো হবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে বিভিন্ন শাখায় ৭৬৮ হাওড়ায় ২১২ টি লোকাল ট্রেন চলে।


গত কয়েকমাস যাত্রীবাহি ট্রেন না চলায় রেলের প্রায় পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিদ্র করতে তৎপর রেল। স্টেশনে ঢোকা এবং বেরনোর পথ সংকীর্ন করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক যাত্রীকে থার্মাল স্ক্যানার পেরিয়ে তবেই স্টেশনে ঢুকতে হবে। নিয়মিত স্টেশন স্যানিটাইজ ছাড়াও ট্রেন চলাচলের নিয়ম বেঁধে দেওয়া হতে পারে। প্রত্যেক স্টেশনে অলটারনেট করে গ্যালপিং ট্রেন চলতে পারে। থাকবে আরপিএফের নিশ্চিদ্র সুরক্ষা বলয়।








