রাজ্যজুড়ে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমানে বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি পঞ্জাব থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অক্ষরেখা হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে অবস্থান করছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটেছে। রাজ্যের ৩ থেকে ৪টি জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাব স্পষ্ট। আবহাওয়া দফতরের মতে, বাংলার বাকি অংশেও বর্ষা বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।


দক্ষিণবঙ্গেও আগামী সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং দক্ষিণবঙ্গ জুড়েও আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে বর্ষার প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে। ফলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



