নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ তিন দিন হল কলকাতায় অনুষ্ঠান করতে আসা বলিউডের প্লেব্যাক সিঙ্গার কেকের মৃত্যুর । তার এই মৃত্যুকে নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক । বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন বিষয়কে এই মৃত্যুর সঙ্গে তুলনা করছেন । বা ভাল কথাই বলা যায় দায়ী করছেন । কারণ প্রিয় গায়কের এই আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ ।
আরও পড়ুনঃ আগামী বছরে কবে হবে মাধ্যমিক? কোন দিন কোন পরীক্ষা? দেখুন এক নজরে


কিন্তু কে কে-র এই আকস্মিক মৃত্যুর কারণ কি? ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকরা ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন’-এর কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করছেন। কি এই ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন’? সেন্টার ফল ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ট প্রিভেনশন অনুসারে, হৃদ্পিণ্ডের পেশির একটি অংশ অনেক সময় পর্যাপ্ত রক্ত পায় না।

কিন্তু রক্তপ্রবাহ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে যত দেরি হয় ততই হৃদ্পিণ্ডের পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে করে। এই অবস্থাকে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলা হয়। এর লক্ষণগুলি কী কী? ১) নিশ্বাস নিতে কষ্ট। ২) অত্যধিক ক্লান্তি বোধ। ৩) বুকে ব্যথা। ৪) তলপেটে এবং ঘাড়ে ব্যথা হওয়া। ৫) চোখে অন্ধকার দেখা। গোটা বিশ্বে হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ শুধু হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।



অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়িমত খাওয়াদাওয়া, মানসিক উদ্বেগের মতো কয়েকটি কারণে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু কেকে অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপন করতেন বলেই জানা গিয়েছে। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি খাওয়াদাওয়াতেও বিধিনিষেধ মেনে চলতেন। কিন্তু তাঁর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসতেই কপালে ভাঁজ চিকিৎসকদের।দেখা গিয়েছে, কেকের হৃদ্পিণ্ডের চারপাশে পুরু মেদের আস্তরণ। সেটি সাদা হয়ে গিয়েছিল।

হৃদ্পিণ্ডের মোড়ক খুলতেই দেখা যায় কপাটিকাগুলি অস্বাভাবিক রকম শক্ত হয়ে রয়েছে। ৩১ মে সকালে কেকে তাঁর ম্যানেজারকে বলেছিলেন শরীরে জোর পাচ্ছেন না। সেই রাতেই, অর্থাৎ মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে, তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন, ‘‘কাঁধ এবং বাহু কনকন করছে।’’ সেই অবস্থাতেই মঞ্চে ওঠেন কেকে।

কে কে-র মৃত্যু ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন’-এর কারণেই! জানুন বিস্তারিত
অসুস্থ অবস্থাতেই অনুষ্ঠান করে যান। তার পর অনুষ্ঠান শেষে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হোটেলে ফিরে সোফায় বসতে গিয়ে মেঝেতে বসে পড়েন গায়ক। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।







