নজরবন্দি ব্যুরো: কামদুনি গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গত সপ্তাহে রায়দান করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের সাজা মকুব করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। হাইকোর্টের রায়দানের পরই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিতার পরিবার। এবার ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছে রাজ্য।
আরও পড়ুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার CBI-র নজরে বিজেপি বিধায়ক, চলছে জোর তল্লাশি


কামদুনিকাণ্ডে নিম্ন আদালত ৬ জনের সাজা ঘোষণা করেছিল। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় আসামীরা। গত শুক্রবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ দুই আসামীর ফাঁসির সাজা মকুব করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। এমনকি কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। এই মামলায় হাইকোর্টের রায় নিয়ে তীব্র অসন্তুষ্ট নির্যাতিতার পরিবার ও প্রতিবাদীরা। রায়দানের পরই আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পরেন কামদুনি কাণ্ডের প্রতিবাদে অন্যতম মুখ মৌসুমী কয়াল ও টুম্পা কয়াল।

হাইকোর্টের রায় মেনে নিতে পারেনি রাজ্যও। রায়দানের পরই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা বলে তারা। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার সময়ে যারা প্রতিবাদী ছিলেন তাঁরাও হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করবেন। তাঁরা বর্তমানে মামলার সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করছেন। এই মামলাটি ফাইল হয়ে গেলে চলতি সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।



২০১৩ সালের ৭ জুন উত্তর ২৪ পরগনায় কামদুনি এলাকায় এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তভার নেয় সিআইডি। দশবছর পর গত শুক্রবার হাইকোর্টে রায়দান হয়। ওইদিন রাতেই সিআইডির টিম পৌঁছায় মৌসুমি কয়ালের বাড়িতে। বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের সঙ্গে কথাও হয়। এমনকি ‘সুবিচার’ পাওয়ার দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন বলেও জানানো হয়েছে।
কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য









