নজরবন্দি ব্যুরোঃ আবার শিরোনামে কালীঘাটের কাকু। বহু চর্চিত নাম। আসল নাম সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেফতার করেছিল তাকে। সেই কাকুর নানা কারবারের খোঁজ মিলছে ধিরে ধিরে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এবার কলকাতা এবং হাওড়া জুড়ে তল্লাশি চালাল ইডি। হাওড়ার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মনোজের বাড়ি সহ পার্ক স্ট্রিট এবং এজেসি বোস রোড এলাকার দু’টি অফিসের পাশাপাশি মধ্য কলকাতার বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের একটি দোকানেও তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর দাদাকে হেনস্থা, SDPO-কে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়


রাজ্যে রেশন বণ্টন এবং পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে ব্যস্ত ইডি। তারও আগে থেকে ইডির হাতে রয়েছে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত। যে তদন্ত দেরি করার জন্য ইতিমধ্যেই আদালতের ভর্ৎসনা শুনতে হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। তাই এবার কোমর বেধে নেমেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাঁদের হাতে কেলেঙ্কারির বড় ট্রাম্প কার্ড হিসেবে আটক রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। সেই বহু চর্চিত কাকুকে জেরা করেই একের পর এক তথ্য হাতে পাচ্ছে ইডি।

ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে গ্রেফতার ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেই বেন্টিং স্ট্রিটের সাইকেল দোকানের মালিকের নাম পেয়েছে তারা। একদা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডসের কর্মী সুজয় বহু ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে টাকা ঘুরিয়েছেন এবং কালো টাকা সাদা করেছেন বলে তদন্তকারীদের মত। তার খোঁজ করতে নেমেই একের পর এক নাম আসে ইডির কাছে। সেই সূত্রেই বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের এই সাইকেলের দোকানে হানা।
কালীঘাটের কাকু নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতেন সাইকেল দোকানে, কি Update?



মূলত নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঠিক কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছিল তারই খোঁজ চালাচ্ছেন ইডির গোয়েন্দারা। আর সেই খোঁজ চালাতে গিয়ে একে একে রাঘব বোয়ালদের খোঁজ মিলছে। এদিকে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এখান থেকে সূত্র মিলে গেলে আরও বড় বিপাকে পড়তে পারেন কালীঘাটের কাকু। তবে তিনি আর কোথায় বিনিয়োগ করেছেন সেটা খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা।







