নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক তৃণমূল নেতাদের নাম জড়াতে শুরু করেছে ক্রমাগত। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তৃণমূল বিধায়ক জেল হেফাজতে। হেফাজতে তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। বুধবার মানিকের প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, চারপাশে দুর্বৃত্তদের দিদি একা সামলাতে পারছেন না।
আরও পড়ুনঃ Manik Bhattacharya: জোড়া পাসপোর্ট নিয়ে লন্ডন গেছেন মানিক, প্রতিবেশীর নাম জানেন বিচারপতি


একথা বলে তিনি যে মুখ্যমন্ত্রীর কথাই বলতে চেয়েছেন, এবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু কেন বললেন একথা? তবে কী একের পর এক শাসক দলের নেতাদের নাম জড়াতেই একথা বললেন বিচারপতি? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। যেখানে ভরা এজলাসে বিচারপতি বললেন, দিদি আর একা আর সামলাতে পারছেন না। চারপাশে এত দুর্বৃত্ত থাকলে তিনি সামলাবেন কী করে? এই প্রসঙ্গে বিচারপতি ভুপেন হাজারিকার একটি গান স্মরণ করিয়ে দেন।

এদিন হাইকোর্টে সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। শুনে বিচারপতির প্রশ্ন মানিক ভট্টাচার্যের কাছ থেকে। সেখানে সিবিআইয়ের তরফে বলা হয় হ্যাঁ। এমনকি মানিকের লন্ডনের বাড়ির ঠিকানা এবং তাঁর প্রতিবেশীর নামও জানা বলে জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।


গতকাল থেকেই প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এমনকি সিবিআইয়ের সিট থেকে সোমনাথ বিশ্বাস নামের এক অফিসারকে সরিয়ে দেন তিনি। এমনকি বিচারপতির কড়া নির্দেশ তদন্তের কোনও ফাইল ছুঁতে পারবেন না সোমনাথ বিশ্বাস।
চারপাশে দুর্বৃত্তদের দিদি একা সামলাতে পারছেন না, কেন একথা বললেন বিচারপতি

এদিন মানিকের সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিচারপতি বলেন, মানিকের বিদেশযাত্রা সম্পর্কিত তথ্য তাঁর কাছে রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিচারপতি সিবিআইকে প্রশ্ন করেন, সব তদন্ত আমি করলে তদন্তকারী আধিকারিক সোমনাথ বিশ্বাস কি করেছেন?







