নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় মুখ খুললেন হস্টেলের রাঁধুনি। চাঞ্চল্যকর বয়ান দিলেন তিনি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিনিয়ররা জুনিয়রদের ওপর অত্যাচার করত। এমনকি, সিনিয়রদের নির্দেশে রেলিং দিয়ে হাঁটতে হত জুনিয়রদের বলে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল যাদবপুর, ক্যাম্পাসে তৃণমূলপন্থীদের বিক্ষোভ


বিজ্ঞানের ছাত্র হয়েও সাহিত্যকে ভালোবেসে বাংলা নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছিল নদীয়ার বগুলা গ্রামের এক ছেলে। অথচ নিজের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে এক সপ্তাহও কাটাতে পারল না সে। তিন দিন হস্টেলে থেকেই র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে প্রাণ গেল তাঁর। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই সৌরভ চৌধুরী, মনোতোষ ঘোষ এবং দীপশেখর দত্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হেফাজতে রেখে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

আর এই তদন্তে নেমে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য জানতে পারছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে কীভাবে র্যাগিং করা হত জুনিয়রদের। বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে এই কুপ্রথা। এবার হস্টেলের রাঁধুনি জানালেন, সিনিয়রদের নানা রকম কাজ করতে হত জুনিয়রদের। মানসিক ও শারীরিক অত্যাভার তো চলতই, এমনকী সিনিয়রদের কথা না শুনলে রেলিংয়ের ওপর দিয়ে হাঁটতে বাধ্য করা হত।



অসমর্থিত সূত্রের খবর, আরও নানা রকম অত্যাচার করা হত। যেমন, অশ্লীল শব্দের ভাবসম্প্রসারণ, জামা কাপড় খোলানো, মাদক সেবনে সাহায্য করা। ‘ইন্ট্রো’ দেওয়ার নামে চলত আরও অনেক কুকীর্তি। বিভিন্ন নোংরা প্রশ্ন করা হত জুনিয়রদের, সমকামীতার প্রমাণ দিতেও বলা হত। আর সিনিয়রদের কথা না মানলেই পরিণতি ভয়ঙ্কর হত।
সিনিয়রদের নির্দেশে রেলিং দিয়ে হাঁটতে হত জুনিয়রদের? চাঞ্চল্যকর বয়ান হস্টেলের রাঁধুনির

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



