অবিলম্বে অসম্পূর্ণ করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। মতুয়া ও বাগদি কালচারাল বোর্ড গড়ার নির্দেশ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবিলম্বে অসম্পূর্ণ করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। রাস্তা নির্মাণ থেকে জল প্রকল্প সহ সমস্ত কাজ যেগুলো অসম্পূর্ণ হয়ে পড়ে আছে, তা দ্রুততার সঙ্গে সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । পাশাপাশি মঙ্গলবার বাঁকুড়া রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত প্রশাসনিক বৈঠকের প্রশাসনিক কর্তা ও আধিকারিক দের আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিলেন ।

আরও পড়ুনঃ পাইপ লাইনে ফাটল, বন্ধ থাকবে টালার জল-সরবরাহ।

এদিন প্রশাসনিক বৈঠক জেলার উন্নয়নের খুঁটিনাটি বিষয় পর্যালোচনা করেন। মঙ্গলবার সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য এবং তাদের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও পরিস্থিতি সম্বন্ধেও অবহিত হন। বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনে তাদের এলাকায় পড়ে থাকা উন্নয়নের কাজ গুলি যত দ্রুত সম্ভব সেরে ফেলার জন্য নির্দেশ দেন। এজন্য জবকাৰ্ডের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেন।

এই কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য ম্যানপাওয়ারকে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন তিনি। মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন এবার থেকে তথ্য মিত্র কেন্দ্র গুলি যেগুলি থেকে সরকারি পরিষেবা পাওয়ার জন্য জনসাধারণকে পয়সা ব্যয় করতে হতো, এবার থেকে রাজ্য সরকার বিনামূল্যে সেই পরিষেবা দেবে। বাংলা সহায়তা কেন্দ্র নাম দিয়ে এই পরিষেবা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলায় ২১০ টি সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে।

প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন সরকারি কর্মী নিয়োজিত থাকবেন । এদিনই বাগদি ওয়েলফেয়ার বোর্ড ও মতুয়া ওয়েলফেয়ার বোর্ড ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, গতকাল তিনি বাউরি ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠনের কথা ঘোষণা করেন এবং ৫ কোটি টাকা এবং মতুয়া ওয়েলফেয়ার বোর্ড এর জন্য ১০কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন । আজ প্রশাসনিক বৈঠকে বিষ্ণুপুরে যোগেশচন্দ্র পুরাকীর্তি ভবনে রক্ষিত তালপাতায় লেখা সংস্কৃত পুঁথি সংরক্ষণ এবং সেগুলির ডিজিটাল করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে তিনি বলেন এর ফলে গবেষকদের গবেষণার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হবে।

অবিলম্বে অসম্পূর্ণ করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। প্রশাসনিক বৈঠকে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ, কর্মসংস্থানের জন্য মাটির সৃষ্টি প্রকল্প তিনি জোর দেন। মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে প্রসঙ্গে তিনি বলেন বাঁকুড়া পুরুলিয়া জঙ্গলমহল এলাকায় পতিত জমি কে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে ১৭১৬ একর পতিত জমি নেওয়া হয়েছে ,সেইসব জমিতে লেবু আম জাম কাঁঠাল ইত্যাদি ফলের উত্‍পাদন করা হচ্ছে এর ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে।

সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্যের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন আমরা ক্ষমতায় আসার আগে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার রাস্তা ছিল ক্ষমতায় আসার পর ৮ বছরের আড়াই লক্ষ নতুন রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে, তিনি বিষ্ণুপুর বালুচরী শাড়িকে আরও নতুনভাবে নতুন ডিজাইনের তৈরির পরামর্শ দেন । পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলার নিজস্ব গ্রামীণ শিল্প ডোকরা শিল্পকে পুনরুজ্জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে। এদিন তিনি জেলার জনপ্রতিনিধিদের পৃথক পৃথক ভাবে বক্তব্য শোনেন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত