জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে হার দিয়ে সিরিজ শুরু হয়েছিল ভারতের। পরপর দুটি জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল শুভমান গিলের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। যদিও চিন্তায় রাখল বোলিং! এর কারণ, প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলেও দ্রুত আউট করতে না পারা, হতাশারই হওয়ার কথা। ভারত শেষ অবধি ২৩ রানে জিতল। কিন্তু সুযোগ পেয়েও জিম্বাবোয়েকে অলআউট করতে পারল না ভারত। অধিনায়ক শুভমান গিলের অর্ধশতরানে ভর করে তৃতীয় ম্যাচে জয় পেল ভারত।



দাপুটে জয় পেয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ এগিয়ে গেল ভারত। টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে প্রথম সিরিজ খেলতে নেমেছিল ভারত। যদিও জিম্বাবোয়ে সফরে যাওয়া ভারতীয় দলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের অধিকাংশ সদস্য ছিলেন না। রানে ফিরলেন অধিনায়ক শুভমন। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলের তিন ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল, শিবম দুবে ও সঞ্জু স্যামসন এই ম্যাচে দলে ঢোকেন।

ফলে শুভমনের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন যশস্বী। ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বরে নামতে হয় আগের ম্যাচে শতরান করা অভিষেক শর্মাকে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল করেন শুভমান ও যশস্বী। দ্রুত রান করছিলেন তাঁরা। পাওয়ার প্লে কাজে লাগাচ্ছিলেন দুই ব্যাটার। ৪ ওভারের মধ্যেই ৫০ রান হয় ভারতের। যশস্বী ২৭ বলে ৩৬ রান করেন।
ঋতুরাজ করেন ২৮ বলে ৪৯ রান। শেষ অবধি ৪ উইকেটে ১৮২ রান করে ভারত। জিম্বাবোয়ের টার্গেট দাঁড়ায় ১৮৩। বোলিংয়ে শুরুটা দুর্দান্ত হলেও ছন্দ ধরে রাখতে ব্যর্থ ভারতের বোলিং আক্রমণ। পাওয়ার প্লে-র পরেও নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবোয়ে। পেসারদের পরে স্পিনারের দাপট দেখান।


পরপর দুটি জয়ে সিরিজে এগিয়ে ভারত, রান পেলেন অধিনায়ক শুভমান

কিন্তু ষষ্ঠ উইকেটে জুটি বাঁধেন ডিয়ন মেয়ার্স ও ক্লাইভ মাদানদে। শেষ ৫ ওভারে দরকার ছিল ৭৩ রান। ভারতের প্রধান বোলারেরা ৩০ বলে দিলেন ৪৯ রান। কিন্তু অলআউট করতে পারলেন না ভারতীয় বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করল জ়িম্বাবোয়ে। ২৩ রানে হেরে মাঠ ছাড়ল তারা।







