নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুধু স্বাদে গন্ধে বা রূপে নয়, গুণেও মাছের রানী সে। হার্ট থেকে ফুসফুস সবই ভাল রাখে ইলিশ। মাছের রাণী ইলিশ খেলে ভাল থাকে শরীরের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হার্ট। হয়তো সেই কারনেও এই মাছকে হৃদয়ে রাখে বাঙালি। তাই বাংলাদেশ ইলিশের দুয়ার খুলে দিতে আনন্দের অন্ত ছিলনা এপার বাংলার বাঙালির। কিন্তু মন খারাপের খবর এপার বাংলার জন্যে। বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানিতে জটিলতা দেখা দিয়েছে তাই ইলিশ পাঠানো বন্ধ করছে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুনঃ ওপার বাংলা ইলিশ পাঠিয়েছে, মনের আনন্দে বাজারে গিয়ে মাথায় হাত এপার বাংলার।


কথা ছিল, বাংলাদেশ থেকে মোট ৪ হাজার ৬০০ হাজার মেট্রিকটন ইলিশ আসবে ভারতে। যা সরবরাহ করবে বাংলাদেশের মোট ৫২ টি সংস্থা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক একটি সংস্থাকে ৪০ মেট্রিকটন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ এদেশে ইলিশ পাঠাবে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু সেই কথা রাখল না বাংলাদেশ সরকার। হাসিনা সরকার জানিয়েছে তাঁরা আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ পাঠাবে ভারতে।
বাংলাদেশ আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। মনে করা হচ্ছে, এই কারণেই ৩ অক্টোবরের পর ইলিশ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এপার বাংলার ব্যাবসায়ীদের দাবি, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ফের ইলিশ পাঠানো শুরু করুক বাংলাদেশ। কিন্তু সেই আবেদনের কোন উত্তর দেয়নি পুর্ব বাংলা অর্থাৎ বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার। মোট কথা পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ পাঠানো বন্ধ করছে বাংলাদেশ।
এদিকে বাংলাদেশ সরকার রফতানির সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় বাংলাদেশি রফতানিকারদেরও আশঙ্কায় দিন গুনছেন। তাঁদের বক্তব্য, ভারতে ইলিশ রফতানি না করতে পারলে বাড়তি জোগানের জেরে বাংলাদেশে দাম কমে যাবে ইলিশের, ফলে মুনাফা কমবে তাঁদের। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ইলিশ উৎপাদনে ঘাটতি থাকায় ২০১২ সাল থেকে দেশের বাইরে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করেদিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু ২০১৯ সালে আবার উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। তাই তখন থেকে প্রতিবছর পুজোর আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এই বছরও যার অন্যথা হলনা।


ইলিশ পাঠানো বন্ধ করছে বাংলাদেশ








