নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী সোমবার লকডাউন উপেক্ষা করেই কলকাতা পুরসভা ঘেরাও কর্মসূচী বিজেপি-র। বিধানসভা ভোটের ফলাফলের পর এই তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার পরে পরেই রাজ্যজুড়ে পুরোপুরি লকডাউন না হলেও বিধি নিষেধ আরোপ হয়েছে। ফলে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা এবং বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিরোধী দল বিজেপি সেই ভাবে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে পারেনি।
আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে বাড়ছে স্টাফ স্পেশাল মেট্রো, বাড়ছে সময়ও


লকডাউন এর বিধি নিষেধ অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ বাস ,ট্রে্ন, বাজার। ৫০ জনের বেশি জামায়াতের উপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। যদিও এখন ৫০% যাত্রী নিয়ে বাস চালানোর অনুমতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই রকম পরিস্থিতিতে এবার মোটামুটি লকডাউন কে উপেক্ষা করেই সোমবার কলকাতা পুরসভা ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা করছে রাজ্য বিজেপি।
কেন এই ঘেরাও অভিযান? রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, জাল ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানাতেই এই ঘেরাও কর্মসূচি। তবে কলকাতার বাইরের জেলাগুলো থেকে সর্মথকরা এই ঘেরাও কর্মসূচিতে থাকবেন না বলেই সূত্র অনুযায়ী খবর। শুধুমাত্র কলকাতার সংগঠনের কর্মী সমর্থকরায় এই ঘেরাও কর্মসূচিতে থাকবেন। এই ঘেরাও কর্মসূচিতে বিজেপি প্লান করেছে তাতে বিজেপির যুব এবং মহিলা শাখার কর্মীরাই প্রধানত এই ঘেরাও অভিযানে অংশ নেবেন।
আর সূত্রের খবর গত বুধবারই এই নিয়ে মিটিং করেছেন রাজ্যের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতিতে এই ঘেরাও কর্মসূচির পারমিশন কি পাবে বিজেপি? বলাই বাহুল্য সেটা পাবে না এবং বিজেপি নেতারা সেটা খুব ভাল করেই জানেন। তাই পুলিশকে না জানিয়েই বা তাদের অনুমতি না নিয়েই এই জমায়েত করবে বলে তারা ঠিক করেছেন।


আগামী সোমবার লকডাউন উপেক্ষা করেই কলকাতা পুরসভা ঘেরাও কর্মসূচী বিজেপি-র। এই জমায়েত এর জন্য প্রশাসন অবশ্যই তাদের বাধা দেবে এটাও জানেন বিজেপির নেতারা। এই প্রসঙ্গে কলকাতার এক বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘শহরে জমায়েতের অনুমতি কবে মিলবে, তার অপেক্ষায় না থেকে এখনই পুরসভা ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের যা মনোভাব তাতে লোকাল ট্রেন চালু করলেও জমায়েতের অনুমতি দেবে না। কারণ, সরকার চায় না বিজেপি আন্দোলনে নামুক।’’







