নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাওড়া থেকে ধর্মতলা ৮ মিনিট। হাওড়া থেকে শিয়ালদহ ১১ মিনিট। আগামী এক বছরে এই স্বল্প সময়েই হাওড়া স্টেশন থেকে যাত্রীরা পৌছে যাবেন কলকাতার এই সব ব্যস্ত জায়গায়। সৌজন্যে মেট্রো রেল। সহযোগিতায় হাওড়া মেট্রো স্টেশন।
আরও পড়ুনঃ সিবিআই কি জুজু নাকি? বিচার ব্যবস্থা উপর আস্থা আছে, অমিত শাহকে জবাব চন্দ্রিমার
দেশের গভীরতম মেট্রো স্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ। এখন স্টেশনের আনাচে কানাচে জুড়ে চলছে ফিনিশিং টাচ। সূত্রের খবর, আগামী চার মাসের মধ্যে সেই কাজও শেষ হয়ে যাবে। এতেই রেলপথে জুড়ে যাবে দুই ব্যস্ত রেল টার্মিনাল হাওড়া ও শিয়ালদহ। হাওড়া স্টেশনে যাতায়াত করতে ২০০টি সিঁড়ি ভেঙে ওঠা নামা করতে হবে। এই মুহূর্তে এটি দেশের সব থেকে ‘গভীরতম’ স্টেশন।

ইতিমধ্যেই হাওড়া মেট্রো স্টেশনকে ‘দ্য ডিপেস্ট সাবওয়ে স্টেশন’ -এর তকমা দিয়েছে রেলওয়ে বোর্ড। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত দু’দিকের লাইন পাতার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। দিন কয়েক আগে মহাকরণ পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে তৃতীয় লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজও।

কলকাতা মেট্রোর ইস্ট-ওয়েস্টে হাওড়া স্টেশনকে ‘কি স্টেশন’ বলা হয়েছে। কারণ হাওড়া দেশের মধ্যে ব্যস্ততম। এই স্টেশনের সংযোগকারী মেট্রো যে রীতিমতো ব্যস্ততম মেট্রো স্টেশন হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশে প্রথম নদীর তলা দিয়ে এই মেট্রো যাওয়ার পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন রেল মন্ত্রকের আধিকারিকরা।
দেশের ‘গভীরতম’ হাওড়া মেট্রো স্টেশন প্রায় তৈরি, ইতিহাসের অপেক্ষায় কোলকাতা মেট্রো
৩০ মিটার নদীর গভীর দিয়ে দৌড়বে এই মেট্রো। নদীর তলায় দু’টি টানেল ৫২০ মিটারের। যার এক প্রান্তে হাওড়া, অন্যদিকে মহাকরণ। এই দূরত্বে পৌঁছতে মেট্রো সময় নেবে মাত্র এক মিনিট। ৮০ কিলোমিটার গতিতে চলবে এই মেট্রো।



