নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজকালকার ব্যাস্ত জীবন, কাজের চাপ, ঘুমের অভাব, বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার, আধুনিক জীবন যাত্রা ইত্যাদি নানা বিধ কারণে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগের সংখ্যা। এখন রোগ আর বয়েস মানে না। সম্প্রতি এক চিকিৎসক জানিয়েছেন বাড়ছে কম বয়সে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা।
আরও পড়ুনঃ দল গঠনের চমক শুরু লাল-হলুদের, কারা আসছেন?



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক নয়া তত্থ্য। বর্তমানে আমরা সবাই যে ভাবে জীবন যাপন করি তাতে আমাদের শরীরে নানাবিধ রোগ বাসা বাধতে পারে। ওবেসিটি, কোলেস্টেরল, থাইরয়েডের মতো সমস্যা দিনদিন পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে। তাঁর সাথে সবচেয়ে বেশি যেই রোগ বাধছে সেটা হল হৃদ্রোগর ঝুঁকি।



গত বছর কেকে, সিদ্ধার্থ শুক্ল, সিদ্ধার্থ সূর্যবংশী, রাজু শ্রীবাস্তবের মতো বিখ্যাত মানুষরা হৃদরোগের কবলে পরেছিল, অনেকের সেই কারণে মৃত্যু ও হয়েছে। সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক বা সাইলেন্ট অ্যাকিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন এর ভিতি তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে।

প্রত্যেক বছর বহু মানুষ এই হৃদরোগের ফলে মারা যাচ্ছে, শুধু মাত্র বয়স্ক নয় সব বয়েসের মানুষেরাই এই সমস্যায় ভুগছে। কার্ডিয়োভাসকুলার ডিজিজ় নিয়ে এখন থেকেই আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত জানাচ্ছে চিকিৎসকরা। এই কার্ডিয়োভাসকুলার ডিজিজ় কে চিকিৎসক রা দুটি ভাগে ভাগ করেছে। একটি ‘নন-মডিফায়েড রিস্ক ফ্যাক্টর’ যা পরিবর্তন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। যা বংস পরম্পরায় মা বাবা থেকে সন্তান শরীরে বাহিত হয়।
দ্বিতিয় টি হল ‘মডিফায়েড রিস্ক ফ্যাক্টর’ যা পরিবর্তনশিল। এই ‘মডিফায়েড রিস্ক ফ্যাক্টর’ নিয়ে চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী সাধারণ মানুষের সুবিধারতে আলোচনা করলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ধূমপান একে বারে ছেড়ে দিতে হবে। এতে শরীরের ক্ষতি হয়, বারে হার্টের সমস্যা। মদ্যপান ও হার্টের পক্ষে খুব ক্ষতিকারক। এছাড়া যারা ওবেসিটি তে ভুগছে তাঁদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি । এছাড়া বাইরের খাওয়ার নিয়মিত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলছে চিকিৎসক।
বাড়ছে কম বয়সে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা, যারা ওবেসিটি তে ভুগছে তাঁদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি
কার্বোহাইড্রেট ও রিফাইন্ড কার্বোহাইট্রেট শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকর। এছাড়া চিকিৎসকরা পাউরুটির মধ্যে সাদা পাউরুটির বদলে ব্রাউন পাউরুটি এবং আটার রুটির বদলে ময়দার রুটি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া অন্তত রাতে ৯, ১০ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দেন। এছাড়া খুব বেশি পরিমানে শাকসবজি ও ফল খেতে হবে।







