নজরবন্দি ব্যুরোঃ উঠলো ‘নিজাম প্যালেসে মমতা’ প্রসঙ্গ, এই মুহুর্তে গোতা রাজ্যবাসী তাকিয়ে একই দিকে, চলছে এই মুহুর্তের হাই-ভোল্টেজ মামলার রায়। একদিকে হেভিওয়েট নেতামন্ত্রী, ওপর দিকে দেশের প্রথম সারির আইনজীবীরা। সব মিলিয়ে গোতা রাজ্যবাসী অপেক্ষা করছে কী হবে ফলাফল…এইই ম্যাচেও ছক্কা হাঁকাবেন মমতা নাকি এগিয়ে যাবে CBI?
২ঘন্টা পিছিয়ে দুপুর ২টো থেকে চলছে নারদ মামলার শুনানি! আজ হাইকোর্টে একসঙ্গে লড়ছেন দেশের প্রথম সারির দুঁদে আইনজীবীরা। হেভিওয়েটদের জামিন নাকি মামলা স্থানান্তরণ, এবার কি মুক্তি নাকি সিবিআই এর ইচ্ছেমতো চার হেভিওয়েটকে ছুটতে হবে অন্য রাজ্যে? প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজই। তবে অপেক্ষা করতে হবে কিছুক্ষণ। সূত্রের খবর ৪ জনের বিরুদ্ধেই আঁটসাঁট মামলা সাজিয়েছে CBI।
শুনানি চলছে জোড়া মামলার, একদিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চাইছে ৪ জনকেই জেল হেফাজতে রাখতে। অপরদিকে CBI এর তরফ থেকে প্রথম দিন থেকেই আবেদন করা হয়েছে মামলা অন্য রাজ্যের নিয়ে যাওয়ার জন্য। এই দুই মামলার শুনানি চলছে আজ।
ইতমধ্যেই মামলা অন্য রাজ্যে নিয়ে যাওয়ার দাবীর ভিত শক্ত করতে CBI রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-আইনমন্ত্রী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মামলার পক্ষ করেছে। কারন হিসেবে দেখানো হয়েছে রাজ্যে মামলা চলতে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে তদন্তকারী সংস্থাকে।
মামলার শুনানি প্রসঙ্গে উঠে এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর নিজাম প্যালেসে ধর্ণা প্রসঙ্গ। ববি-মদনদের নিয়ে যাওয়ার পরেই ঠাই ৬ ঘন্টা নিজাম প্যালেসে বসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুনানি শুরুর পর বেরিয়ে আসেন তিনি। আজকের শুনানি শুরুর আগেই সেদিনের ঘটনার প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীকে এই মামলার পক্ষ করে নোটিস দিয়েছে CBI, তাতে বলে হয়েছিল নিজাম প্যালেসে গিয়ে ৪ জনকেই ছেড়ে দেওয়ার কথা, অন্যথায় তাঁকে গ্রেপ্তারের কথা বলেছিলেন, প্ররোক্ষ ভাবে চাপও তৈরি করেছিলেন মামলায়।
আজকের মামলার শুনানি চলাকালীনও সেই প্রসঙ্গ তুলে আনেন তুষার মেহতা। বিচারপতিকে তিনি জানান দল বেঁধে মুখ্যমন্ত্রী আরও লোকজন নিয়ে সিবিআইয়ের দফতরে ঢুকে যান। বলেন আমাকে গ্রেফতার করুন। এমনকি ধর্নাতেও বসে যান। এটা নজিরবিহীন, অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি সেদিনের ঘটনাকে তুলে বলেন, যা হয়েছে ঠিক হয়নি, কিন্তু সঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, এই ঘটনা ভারতের ইতিহাসে প্রথম কী?
মমতা প্রসঙ্গ তুলে বিচারপতিও প্রশ্ন করেন, সিবিআই আমাদের জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রী গিয়েছিলেন। এটা কি গ্রহনযোগ্য? তার উত্তরে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানান সে দিন নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্যরা এসেছিলেন সংহতি জানাতে, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য অশান্তি হয়নি। বরং তিনি এবং অন্য বিধায়করা অশান্তির বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা কর্মীদের বার বার শান্ত থাকতে বলেছেন। কিন্তু এই বিষয়টিকে অপব্যখ্যা করেছে সিবিআই। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ২১ নং ধারা লঙ্ঘন করেছে সিবিআই।



