নজরবন্দি ব্যুরোঃ এর আগে জম্মু-কাশ্মীরের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এবার কংগ্রেসের সমস্ত দলিয় পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ গুলাম নবী আজাদ। জানালেন, দেশের জন্য যা ভাল, তা করতে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস। ইস্তফা চিঠিতে ইন্দিরা ঘনিষ্ঠতার কথা তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে কংগ্রেস পার্টির পরিস্থিতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেখান থেকে আর ফিরে আসার কোনও অবকাশ নেই।
আরও পড়ুনঃ কয়লা কাণ্ডে পুলিশকে তলব পুলিশের, ১০ অফিসারকে ডেকে পাঠাল CID


হাত ছাড়লেন গুলাম নবি আজাদ। কিন্তু এর পর কি করবেন এই প্রবীণ রাজনীতিক? এবার তাঁর বিজেপি যোগ নিয়ে ছড়ল জল্পনা। এর কিন্তু কারন আছে। যেমন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুব ভাল। রাজ্যসভায় বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতার বিদায় সংবর্ধনার দিন প্রধানমন্ত্রীর চোখে জল দেখা গিয়েছিল। সুযোগ পেলে আজাদকে তিনি সংসদে ফিরিয়ে আনবেন, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন মোদি।

অপর দিকে গুলাম নবী আজাদ কিছুদিন আগে কংগ্রেসের হরিয়ানার পর্যবেক্ষক ছিলেন আজাদ। স্বাভাবিকভাবেই কূলদীপ বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। আজাদ কংগ্রেস ছাড়ার পরই বিষ্ণোই বলে দিয়েছেন, ‘কংগ্রেস আত্মহত্যার মুডে আছে। আজাদজি খুব ভাল জননেতা। দল আমাকে বললে আমি ওনার সঙ্গে কথা বলে ওনাকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ানোর চেষ্টা করতে পারি।”



আবার যে ভাষায় রাহুল গান্ধী তথা কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন আজাদ, তাতে মনে হতেই পারে কংগ্রেসের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে থাকা দলে যোগ দেবেন তিনি। সব মিলিয়ে দিল্লির রাজনীতিতে তাঁর দল ভুক্তি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। কিন্তু এই সদ্য প্রাক্তন প্রবীণ কং নেতা নিজে কি ভাবছেন? সুত্রের খবর, বিজেপিতে যোগ দেবেন না তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন,

এতদিন ধর্মনিরপেক্ষতার পতাকা নিয়ে তিনি রাজনীতি করে এসেছেন। শেষ বেলায় নিজের নীতির সঙ্গে আপস করবেন না। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিই করবেন। তাই তিনি নাকি কাশ্মীরে নতুন দল গড়ে জাতীয় রাজনীতিতেও পদার্পণ করবে।
কংগ্রেস ছাড়ার পরেই BJP যোগের জল্পনা, কি করবেন আজাদ?
সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের জি-২৩ গ্রুপের বহু নেতা তাঁর সঙ্গী হতে পারেন। এদের মধ্যে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং, কপিল সিব্বলরা ইতিমধ্যেই কংগ্রেস ছেড়েছেন। বিক্ষুব্ধদের তালিকায় রয়েছেন আনন্দ শর্মা, মণীশ তিওয়ারিরা। শোনা যাচ্ছে, শীঘ্রই দিল্লিতে জি-২৩ গোষ্ঠীর আজাদপন্থী নেতারা দেখা করতে পারেন।







