নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে এই মুহূর্তে ফের জোরকদমে শুরু হয়েছে দল বদল। ভোটের আগে যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে গিয়েছিলেন একে একে পুরনো ঘরে ফেরার জন্য লাইন দিচ্ছেন প্রায় সকলেই, সঙ্গে অন্যান্য দলের আরো একাধিক নেতা নেত্রী আসছেন তৃণমূলে। আসার কারণ হিসেবে জাহির করছেন রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করার স্বদিচ্ছা। দিন কয়েক আগেই শিলচরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
আরও পড়ুনঃকোভিড আবহে রাজ্যের কোন হাসপাতালে কত শিশু শয্যা, জানালো স্বাস্থ্য দফতর
গতকাল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্য সভায় যাওয়ার মনোনয়ন ও জমা দিয়ে এসেছেন। এর পরেই বড়ো ভাঙন প্রদেশ কংগ্রেসেও। সূত্রের খবর মুর্শিদাবাদের দুই আসনের বকেয়া ভোটের আগেই হাতের হাত ছেড়ে তৃণমূলের পতাকা তুলে নেবেন প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক, অধীর ঘনিষ্ঠ মইনুল হক। ফারাক্কার ৫বারের কংগ্রেস বিধায়ক মইনুল। রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত অধীর ঘনিষ্ঠ বলেই।
মুর্শিদাবাদের দুই আসনের ভোটের মুখে তাঁর এ হেন দল বদলে নেওয়ায় সেই জেলায় কংগ্রেসের ভিত যে আরও দুর্বল হয়ে পড়ল তাতে নিশ্চিত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আগামী ৩০ তারিখে ভোট হবে মুর্শিদাবাদে। সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরের বকেয়া ভোট ওইদিন। সূত্রের খবর ঠিক তার এক সপ্তাহ আগে হাতের হাত ছাড়ছেন মইনুল। গতকাল রাতেই এই বিষয়ে বৈঠক হয়েছে জঙ্গিপুরের প্রার্থী জাকির হোসেনের বাড়িতে। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি খলিলুর রহমান, সাংসদ আবু তাহের খান-সহ শীর্ষ নেতৃত্ব।
সেখানেই কংগ্রেস নেতাকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। আগামী ২৩ তারিখ মুর্শিদাবাদে ভোট প্রচারে যাবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। ওই দিনই এমডিআই ময়দানে অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে আসতে চলেছেন কংগ্রেস নেতা। মইনুল হক নিজেও দল বদলের কথা জানিয়েছেন।



