নজরবন্দি ব্যুরো: বর্তমানে এক অজানা জ্বরের আবির্ভাব কে ঘিরে কার্যত দুশ্চিন্তার মেঘ দানা বেঁধেছে রাজ্যের চিকিৎসকদের মধ্যে। যতদিন এগোচ্ছে ধীরে ধীরে ততই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এটি। যার প্রভাবে এখনও পর্যন্ত প্রান হারিয়েছে জলপাইগুড়ির ৩ শিশু। পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক জেলার শিশুদের শরীরেও দেখা মিলেছে এই জ্বরের উপসর্গ।
আরও পড়ুনঃ বিরামহীন বৃষ্টির সাথে ঘুর্ণিঝড়, ২ সপ্তাহের আগে রেহাই নেই বঙ্গবাসীর।
তাই শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থা কে আরো মজবুত করতে জেলায় জেলায় বাড়ানো হল চাইল্ড কেয়ার ইউনিটের বেডের সংখ্যা। বছর খানেক আগে, অর্থাৎ করোনার প্রথম ওয়েভের সময় বিভৎস চেহারা নিয়েছিল কলকাতা (Kolkata) সহ রাজ্যের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ গুলি।

সেইসময় স্বাস্থ্য দফতরের তরফে ঘোষনা করা হয়, বর্তমানে কোন হাসপাতালে কত সংখ্যক বেড রয়েছে তার পরিসংখ্যান নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে তুলে ধরতে। এবার সেটিকেই বাস্তব রূপ দেওয়া হল।
পাশাপাশি জেলায় জেলায় শিশুদের আইসিইউ বা পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (Pediatric Intensive Care Unit) বাড়ানো হল বেডের সংখ্যা। এসএসকেএমের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে (Murshidabad Medical College) বাড়ানো হয়েছে নিকুর বেডের সংখ্যাও। এর আগে রাজ্যের ২১ টি হাসপাতালে পিকুর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৪৪ টি কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে এক ধাক্কায় তা আরো ২৪৪টি বাড়ানো হল।

এই নিয়ে স্বাস্থ্য ভবন থেকে বলা হয়েছে, মূলত রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই বেডের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । সেইসঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই অজানা জ্বরের আবির্ভাব ঘটেছে রাজ্যে তাই এই পরিস্থিতিতে শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে যাতে কোনো রকমের সমস্যা না দেখা দেয় তাই শক্তহাতে গোটা বিষয়টি পরিচালনা করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর।
কোভিড আবহে রাজ্যের কোন হাসপাতালে কত শিশু শয্যা, জানালো স্বাস্থ্য দফতর
সেইসঙ্গে এয়ার কন্ডিশন সিস্টেম, নেগেটিভ প্রেশার ভেন্টিলেশন সহ আরো অন্যান্য পরিকাঠামো গত সমস্যা যাতে না দেখা দেয়, সেদিকে নজর রেখেও হাসপাতাল গুলিকে মেরামতের জন্য অর্থ প্রদান করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এছাড়াও মালদা, বাঁকুড়া সহ বেশ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ গুলিকে তাদের অধীনে বেশকিছু হাসপাতাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসলে বিনা চিকিৎসায় যাতে কোনো রোগী কে ফেরত না যেতে হয় সেদিকেই নজর রেখেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।



