নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলতি বছরের আগস্ট মাসে গনি সরকারের পতন ঘটিয়ে ফের আফগান প্রদেশের ক্ষমতার অলিন্দে বসে তালিবরা। যারফলে সময় এগোনোর সঙ্গে সঙ্গেই দেশ ছাড়ার ধুম দেখা গিয়েছিল সেখানকার নাগরিক সহ অন্যান্য কর্মরতদের মধ্যে। তবে ক্ষমতা দখলের পর তালিব মুখপাত্ররা নিজেদের কে যতই আলাদা প্রমান করার চেষ্টা করেছে সকলের কাছে ঠিক ততটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে যে তালিব টু পয়েন্ট জিরো বলে আদতে কিছুই নেই।
আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত হল জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের তালিকা, একনজরে জেনেনিন


আগের মতই ফের আফগানিস্তানে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর সেখানকার নাগরিকদের জন্য বিশেষ ফরমান জারি করে তারা। এরপর যত সময় এগোতে থাকে ততই গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে তালিবান আছে সেই আগের তালিবানেই। প্রথমে সেখানকার মহিলাদের জন্য আলাদা ক্লাস রুমের ব্যবস্থা করা হলেও পরবর্তী তে জানিয়ে দেওয়া হয় স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না কোনো মহিলা।
এখানেই শেষ নয়, সময় এগোনোর সাথে সাথে সেদেশে বৈদ্যুতিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় সেখানকার অভিজাত দের ঘরবাড়ি লুঠ করে তাদের সমস্ত সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহের কাজ পর্যন্ত চালানো হয়। তবে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি যেন কোন মতেই হচ্ছে না তালিব শাসিত এই প্রদেশে।
তাই এবার নয়া ঘোষণা করলেন তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। তিনি বলেন, “আফগানিস্তান জুড়ে সব নাগরিক, দোকানদার, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারীদের কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন লেনদেনর সময় কোনও বিদেশী মুদ্রা ব্যবহার না করেন। শুধুমাত্র আফগানি টাকাতেই যাবতীয় লেনদেন চলবে। যারা এই নিয়ম মেনে চলবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”


ব্যবহার করা যাবে না বিদেশী মুদ্রা, জানাল আফগান সরকার

অর্থাৎ, আফগান মুদ্রা ছাড়া অন্যকোন ধরনের মুদ্রার ব্যবহার কে স্বীকৃতি দেবে না বর্তমান আফগান সরকার। উল্লেখ্য, সেদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মূলত মার্কিন ডলারের মাধ্যমেই চালানো হয় যাবতীয় লেনদেনের কাজ। এমনকি সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের মুদ্রার ও ব্যবহারের হয়। কিন্তু এবার সেখানেও নেমে এলো নিষেধাজ্ঞা।








