রবিবার গভীর রাতে গার্ডেনরিচের ১৩৪ নং ওয়ার্ডে একটি নির্মীয়মান বহুতল ভেঙে পড়ে। নিহতের সংখ্যা প্রায় ৯ ছাড়িয়েছে। আহত বহু। সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মুখ্যমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে বহুতলটি বেআইনি ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। লালবাজার মারফত জানানো হয়েছে শহরের সব নির্মীয়মান বহুতলের নথি খতিয়ে দেখবে প্রশাসন।ঘটনাটি ঘটার পর থেকে এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজ্যে শাসক-বিরোধী তর্জা।



আরও পড়ুন : নয়া রণনীতি শাসকদলের, তৈরি হল ৩০ নির্বাচনী কমিটি
এই দুর্ঘটনার দায় কার এই নিয়ে চলছে দায় ঠেলাঠেলির কাজ। মেয়র ফিরহাদ হাকিম দায় চাপিয়েছেন পুর্ত দপ্তরের ওপরে। এলাকার কাউন্সিলরের ভূমিকা একেবারে অস্বীকার না করতে পারলেও মোটামুটি তাকে ক্লিনচিট দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মেয়র বলেন,”কেন এরকম হচ্ছে বুঝতে পারছি না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ৮০০ বাড়ি ভাঙা হয়েছে। তার মধ্যে ২৫ টি গার্ডেনরিচের। কিন্তু বেআইনি নির্মাণ দেখার দায় বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের।”

গার্ডেনরিচকাণ্ডে নাম না করে ফিরহাদকে কটাক্ষ অতীনের, চলছে দায় ঠেলাঠেলি
মেয়রের বক্তব্য নিয়ে কার্যত আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতে মেয়রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ডেপুটি মেয়র। অতীন ঘোষ বলেন,”যিনি চেয়ারে বসেন, নিয়ন্ত্রণের দায় তাঁর। কেউ দায় এড়াতে পারেন না। আমি যদি কাউন্সিলর হই, তাহলে এই ঘটনার দায় আমারও।” গার্ডেনরিচ কার্ডের পর সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল ধৃত প্রোমোটার মহম্মদ ওয়াসিম ও স্থানীয় কাউন্সিলর শামিম ইকবালের ছবি। এর পরিপ্রেক্ষিতে কটাক্ষ করে অতীন বলেন, “কাউন্সিলর যদি প্রোমোটারের সর্বক্ষণের সঙ্গী হন। এবং এরকম ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে দায় কাউন্সিলরেরও।”









