শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন? তদন্ত শুরু করল পুলিশ

শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন? তদন্ত শুরু করল পুলিশ
শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন? তদন্ত শুরু করল পুলিশ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন? পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কেন লেখা রয়েছে সাসপেক্ট সুইসাইড? প্রশ্ন তুললেন শুভেন্দুর প্রাক্তন নিরাপত্তারক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর দাদা তথা মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। গতকাল কাঁথি থানায় শুভব্রত চক্রবর্তীর স্ত্রী সুপর্না চক্রবর্তী তাঁর স্বামীর রহস্য মৃত্যু নিয়ে সত্য উদঘাটনের জন্যে অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুনঃ অন্য গাছের ছাল লাগিয়েছিলাম, খসে গেছে। মুকুল কে নিশানা করে বেসুরোদের বার্তা দিলীপের।

সেই প্রসঙ্গে তিলক বলেন, ‘২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে মৃত্যুর আগে আমার ভাই মুর্শিদাবাদ গিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। দীর্ঘদিন ধরেই ওনার কাছে কাজ করত ভাই। অনেক রাতে পুলিশ ব্যারাকে ফিরেছিল। পরের দিন সকালে বাড়িতে ফোন করে জানায় বাড়ি ফিরছে। ৩০ ঘন্টা পরেই ওর আত্মহত্যার খবর পাই। আগে বিশ্বাস করেছিলাম। এখন নিজে বিধানসভায় এসেছি বলে অভিযোগ জানিয়েছি।’

শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন? সত্যতা জানতে চেয়ে ঘটনার প্রায় তিন বছর পর অভিযোগ দায়ের করেছেন সুপর্না। অভিযোগ পত্রে তিনি বলেছেন, “প্রায় ৬-৭ বছর শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন তাঁর স্বামী। গত ১৩/১০/২০১৮ তে প্রতিদিনের মতই তাঁর স্বামী সকাল ১০টা নাগাত ফোনে জানান বাড়ি ফেরার কথা। কিন্তু আকস্মিক ভাবে সুপর্নার জা ফোন করে ১১ টা ২০ নাগাত তাঁকে দ্রুত বাড়ি আসতে বলেন। বাড়ি এসে সুপর্না শোনেন তাঁর স্বামী হাসপাতালে ভর্তি! মাথায় গুলি লেগেছে, গুলি চালিয়েছেন নিজেই। ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিয়ে যান তিনি।

মুর্শিদাবাদ সফর থেকে ফিরেই মাথায় গুলি, শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন?

খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় শুভব্রতর দুই দাদা এবং অন্যান্য আত্মীয়রা। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন ভাই গুলিবিদ্ধ। শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাবস্থা হয়েছে। কিন্তু সময় অতিবাহিত হতে থাকে। অনেক অপেক্ষার পর এসে পৌঁছায়। যখন গুলিবিদ্ধ শুভব্রত বাবুকে কলকাতার অ্যাপেলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে তখন সন্ধ্যে ৭টা বেজে গিয়েছে।

কার্যত বিনা চিকিৎসায় পড়েথাকা গুলিবিদ্ধ শুভব্রত চক্রবর্তী পরের দিন(১৪/১০/২০১৮) ৫টা নাগাত মারা যান। সুপর্নার অভিযোগ অনেক ভেবেও এটা বুঝতে পারিনি আমার স্বামী কিভাবে গুলি বিদ্ধ হলেন। তাছাড়া শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের দাপুটে মন্ত্রী, তা সত্বেও তারই মরনাপন্ন নিরাপত্তা রক্ষীর জন্যে কেন অনেক দেরীতে অ্যাম্বুলেন্স এল!

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই সুপর্না কাঁথি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাছে বিচার চেয়ে সত্য উদ্ঘাটনের জন্যে প্রার্থনা করেছেন। শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু আত্মহত্যা না খুন? তা তদন্ত করতে আইপিসি ৩০২ এবং ১২০বি ধারায় মামলা দায়ের কথা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here