নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়লার অভাবে কার্যত থমকে যেতে পারে রাজধানী দিল্লির বেশ কিছু পরিষেবা। দিল্লি সরকারের তরফ থেকে এমনই আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ কয়লা মজুত থাকছে না, সেই কারণে যে কোনও সময় দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক জায়গা,
আরও পড়ুনঃ চতুর্থ ঢেউয়ের চিন্তা বাড়িয়ে দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী কোভিড সংক্রমণ


যেমন অফিস, এ ছাড়া অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার স্থান যেমন মেট্রো বা হাসপাতালে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হতে পারে, তাতে ব্যহত হতে পারে পরিষেবা। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ইতিমধ্যেই জরুরি বৈঠকে বসেছেন দিল্লির বিদ্যুৎ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রকে। সেখানে আবেদন করেছেন, যেভাবে হোক দিল্লিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী উৎপাদন কেন্দ্রে কয়লার জোগান বাড়ানো হোক।

কেজরিওয়াল সরকার বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘দাদরি–২ এবং উনচাহার উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত সরবরাহ বাধা পাচ্ছে। এর ফলে দিল্লি মেট্রো, সরকারি হাসপাতাল সহ জরুরি প্রতিষ্ঠানে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ জোগানো সমস্যা হতে পারে।’ দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি থেকে দিল্লির মোট প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের ২৫-৩০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়।



সেখানেই কয়লার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। দিল্লির বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতেই ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন–এর দাদরি–২ এবং ঝাজ্জার বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। এবার দু’টিতেই বিদ্যুতের অভাব। দাদরি–২, উনচাহার, কাহালগাঁও, ফারাক্কা, ঝাজ্জর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দিল্লিতে ১,৭৫১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।

চরম সঙ্কট কয়লার, দিল্লিতে বন্ধ হতে পারে মেট্রো, অন্ধকার থাকতে পারে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে হাসপাতালও
এর মধ্যে দাদরি–২ থেকে ৭২৮ মেগাওয়াট এবং উনচাহার থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এবার দুই কেন্দ্রেই কয়লার তীব্র সঙ্কট। তাই শিগগিরই বন্ধ হতে পারে বিদ্যুতের জোগান। ফলে ব্যহত হতে পারে জরুরি পরিষেবা।







