নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ বিশ্ব বিরিয়ানি দিবস। জুলাই মাসের প্রথম রবিবার পালন করা হয় এই দিবস। বিরিয়ানি খেতে ভালবাসেনা এমন মানুষ হয় তো এই বিশ্বে খুব কম রয়েছে। বিরিয়ানির আলু, মাংস, ভাত কারোর সাথেই যেন ভাগ করে নেওয়া যায় না। তাই আজকের এই বিশেষ দিনটি চেটেপুটে উপভোগ করুন। আজ সবার পাতে থাকুক এক হাড়ি বিরিয়ানি।
আরও পড়ুনঃ “হাম দো হামারে দো” দ্বিতীয়বার বাবা হওয়ার ঘোষণা করলেন অনীক


আসুন জেনে নি আজকের এই বিশেষ দিনে বিরিয়ানির কিছু অজানা কাহিনী।
বিরিয়ানি শব্দটি এসেছে ফার্সি শব্দ বিরিয়ান থেকে। যার অর্থ হল রান্নার পূর্বে ভাজা। বিরিয়ানি আসলে তৈরি হয়েছিল সেনাবাহিনীরদের জন্য। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীদের পক্ষে একসাথে অনেক গুলি পাত্রে আলাদা আলাদা করে খাবার নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না।

অথচ তাদের যুদ্ধের জন্য দরকার পুষ্টির। তাই একটা হাড়িতে তারা ডিম, আলু, ভাত, ঘি, দুধ এবং মশলা একসঙ্গে ফুটিয়ে রাখতেন। তা খেতেও খুব সুস্বাধু হত। এমনকি একসঙ্গে অনেকে খেতেও পারত। এমন সমস্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পেত। অনেকে বলে এই ঘটনার পর থেকেই বিরিয়ানির আবিষ্কার হয়েছে।


বিশ্ব বিরিয়ানি দিবস চেটেপুটে উপভোগ করুন, কবে আসল এই খাবার?
এই ঘটনা ছাড়াও আরও একটি প্রচলিত ঘটনা রয়েছে বিরিয়ানিকে ঘিরে। বলা হত যে বিরিয়ানির সঙ্গে মমতাজেরও বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। মুঘল সেনাবাহিনীর হাল চাল জিজ্ঞেস করার জন্য একবার তিনি সেনাবাহিনীর রান্নাঘরে গিয়েছিল। এবং সেখানে গিয়ে দেখতে পেয়েছিল রান্না ঘরের খুব শোচনীয় অবস্থা। সেই অবস্থা দেখে মুমতাজ বাবুর্চিকে নির্দেশ দিয়েছিল ভাত, মাংস এবং মশলা মিশিয়ে একটি খাবার বানানোর। সেই থেকেই নাকি প্রচলিত হয় বিরিয়ানির।







