নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রত্যেক রাজ্যবাসীর ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রবীন নাগরিকদের জন্য করোনার টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করল কমিশন। ভোটদান পর্বের আগেই টিকা দেওয়া হবে প্রবীনদের। কমিশনের এই ধরনের প্রচেষ্টায় প্রতিষেধক নিলেন বারাসাতের কাশিমপুর গ্রামের একটি বৃদ্ধাশ্রমের আট জন। রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য তৎপর নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর রক্ত লেগে আছে এখনো মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে, হতাশ পিতা শিশির।


পাশাপাশি রাজ্যের মানুষকে ভোটদানে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন ভোটাদের উৎসাহিত করার জন্য কখনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবার কখনও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ঠিক সেই ভাবেই সম্প্রতি বারাসতের এক নম্বর ব্লকের কাশিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি বৃদ্ধাশ্রমে যান কমিশনের আধিকারিকরা। সেখান থেকে তারা জানতে পারেন, বৃদ্ধাশ্রমের সকলে ভোটদানে উৎসাহি। কিন্তু তারা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ভয় পাচ্ছেন। কারণ সকলেরই বয়স হয়েছে।
এর পরই নির্বাচন কমিশনের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয় তাদের টিকা দেওয়ার। সেই মতো গতকাল শনিবার বৃদ্ধাশ্রমের আটজনকে টিকা দেওয়া হয়। টিকা দানের জন্য তাদের নিয়ে যাওয়া হয় দত্তপুকুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। নির্বাচন কমিশনের তরফে মঞ্জুলা বসু জানান, অনেককেই গাড়িতে করে টিকা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখনো আরও কিছু বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে প্রতিষেধক দেওয়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
যাতে তারাও নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যেতে পারেন। কিন্তু ওই প্রবীণ নাগরিকদের ভোটদানের ক্ষেত্রে একটা সমস্যা রয়েই যাচ্ছে। তা হল বৃদ্ধাশ্রমে বসবাসকারী সকলে কাশিমপুরের বাসিন্দা নয়, তাহলে তারা ওই কেন্দ্রে ভোট দেবেন কি করে? এই বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন।









