নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এবার তৎপরতা বাড়াল ইডি। সূত্রের খবর, ২০১১ সাল থেকে আজ অবধি প্রাথমিক শিক্ষক পদে সমস্ত নিয়োগের নথি খতিয়ে এখতে চান ইডির আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে ইতিমধ্যেই সমস্ত নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছে। ২০১১ সালের পর থেকে নিয়োগের তথ্য চাইল ইডি। তাতে ঘুম উড়েছে অনেকের।
আরও পড়ুনঃ ED: কলকাতাতেই মেনকাকে জিজ্ঞাসাবাদ, সাফ নির্দেশ হাই কোর্টের


একইসঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলির কাছ থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। টেটের মাধ্যমে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের রোল নম্বর থেকে শুরু করে কোন স্কুলে তাঁদের নিয়োগ হয়েছে, তাঁদের নিয়োগপত্রের তারিখ সহ সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে।

এমনকি আদালতের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারিত করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। নতুন পদে বসেছেন গৌতম পাল। তবে মানিক ভট্টাচার্যকে নিয়ে কড়া মনোভাব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। গত ২২ জুলাই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে একাধিক তথ্য পায় ইদি। এমনকি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকেও নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী অফিসাররা। সেই সমস্ত নথিকে সামনে রেখেই তদন্ত শুরু করেছে ইডি।
২০১১ সালের পর থেকে নিয়োগের তথ্য চাইল ইডি, বাড়বে গ্রেফতারির সংখ্যা

তবে ইডির অনুমান, নিয়োগের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও নিয়োগ হয়েছে। সেখানে চুড়ান্ত অনিয়ম হয়েছে। সেকারণেই এর আগে সিবিআইয়ের ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষা দিয়ে যাঁরা প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন তাঁদের তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। সেখানে নিয়োগপত্রের প্রতিলিপি, নিয়োগের রিপোর্ট, ২০১৪ সালে টেট, পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, টেটে যোগ্যতা অর্জনের নথি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সমস্ত পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড চাওয়া হয়েছিল। এবার সেদিকে নজর পড়ল ইডির।









