টলিপাড়ায় সম্পর্কের ওঠানামা নতুন নয়। কখনও নতুন প্রেম, কখনও বিয়ের খবর, আবার কখনও বিচ্ছেদ—সব মিলিয়ে বদলে যাওয়া সমীকরণের সাক্ষী থাকে বিনোদুনিয়া। এবার আলোচনার কেন্দ্রে গায়ক দুর্নিবার সাহা, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক মোহর (ঐন্দ্রিলা)-র প্রাক্তন সঙ্গী হৃতজিৎ রায়চৌধুরী।
সম্প্রতি মীনাক্ষী ও হৃতজিৎ নতুন দাম্পত্যজীবন শুরু করেছেন। দুজনের জীবনের এই নতুন অধ্যায় স্বাভাবিকভাবেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে, কারণ তাঁদের অতীত সম্পর্কের সমীকরণ যেন এক অদ্ভুত ক্রস-কানেকশন তৈরি করেছে টলিপাড়ায়।



বিচ্ছেদের পর নতুন সূচনা
২০২৩ সালে দুর্নিবার সাহার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় মীনাক্ষীর। তাদের বিবাহ-পর্ব এবং বিচ্ছেদ দুটোই ছিল আলোচনার বিষয়। একই বছর দুর্নিবার দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন প্রসেনজিৎকে সহায়তা করা মোহরকে। সে সময় তাদের সম্পর্ক নিয়েও ব্যাপক চর্চা হয়েছিল।
অন্যদিকে, গত বছর মোহরের সঙ্গে হৃতজিৎ রায়চৌধুরীর সম্পর্কের খবর সামনে আসে। যদিও সেই অধ্যায় এখন অতীত। দিন বদলে, সময়ের ব্যবধানে নিজেদের জীবনকে নতুনভাবে সাজানোর সিদ্ধান্ত নেন দু’জনেই—মীনাক্ষী ও হৃতজিৎ।
চার হাত এক, এরপর রিসেপশন
কয়েক দিন আগে গোপনে সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন মীনাক্ষী ও হৃতজিৎ। বৃহস্পতিবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে একটি ছোট রিসেপশন পার্টির আয়োজনও করেন তাঁরা।


মীনাক্ষীর সরাসরি বিনোদন জগতের সঙ্গে কোনও যোগ না থাকলেও, হৃতজিৎ টলিপাড়ার একটি পরিচিত প্রযোজনা সংস্থায় কালার কারেকশন বিভাগ সামলান। ফলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ বেড়েছে ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে-বাইরে।
লাইমলাইটের বাইরে থাকতে চান দু’জনেই
বিচ্ছেদের পর মীনাক্ষী দীর্ঘ সময় জনসমক্ষে আসেননি। হৃতজিৎ-ও বরাবরই মিডিয়া-এড়ানো স্বভাবের। জানা গেছে, তাঁরা দুজন একে অপরকে সোশাল মিডিয়ায় অনুসরণ করলেও কোথাও একসঙ্গে ছবি ভাগ করে নেননি।
পরিচিতদের মতে, অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য, কটাক্ষ বা অযথা চর্চা থেকে নিজেকে দূরে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত। তাঁরা চান নতুন দাম্পত্য নিভৃতে, শান্তভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
টলিপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
সম্পর্কের এই ‘ক্রস কানেকশন’—
• দুর্নিবারের প্রাক্তন স্ত্রী মীনাক্ষী
• মোহরের প্রাক্তন হৃতজিৎ
• এবং দুর্নিবার–মোহর দম্পতি—
এই চারজনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অদ্ভুত সমীকরণ। তবে সংশ্লিষ্টদের ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, সবাই নিজের জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন। অতীতের অধ্যায় বন্ধ করে নতুন পথে হাঁটছেন তাঁরা, এবং সেই সিদ্ধান্তকেই সম্মান করছে ইন্ডাস্ট্রি।







