নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘গদ্দার’দের দলে না ফেরানোর দাবিতে শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের। বিধানসভা নির্বাচনে বিরাট জয়ের পরেই দলবদলুরা একে একে ফিরতে চেয়েছেন তৃণমূলে। মুকুল রায়, তপন সিনহার মত নেতাদের দলে ফিরে আসার পর সেই হাওয়া আরও জোরদার হয়েছে। তাদের কি দলে ফেরানো হবে ত নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এমন অবস্থায় বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল নেতা কর্মীরা সেই এলাকার দলবদলুদের দলে না ফেরানোর জন্য পোস্টার ও চিঠি দিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এবার সেই একই ঘটনা দেখা গেল নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদে।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গ ভোটে তলিয়ে যাওয়ার কারণ কাটা ছেঁড়া করতেই ২৯এ বৈঠক বিজেপির


সেখানে ‘গদ্দার’দের দলে না ফেরানোর দাবিতে শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি দিল জেলা পরিষদের নেতা কর্মীরা। বিধানসভা ভোটের সময় দল বিরোধী কাজে যুক্তদের পুনারায় যাতে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরিয়ে না নেওয়া হয় তা সুনিশ্চিত করবার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার তৃণমূল পরিচালিত মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্যরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন জেলা পরিষদ ভবনে। বিধানসভা ভোটের সময় দল বিরোধী কাজে যুক্তদের পুনারায় যাতে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরিয়ে না নেওয়া হয় তা সুনিশ্চিত করবার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার তৃণমূল পরিচালিত মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্যরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন জেলা পরিষদ ভবনে। বিধানসভা ভোটের সময় দল বিরোধী কাজে যুক্তদের পুনারায় যাতে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরিয়ে না নেওয়া হয় তা সুনিশ্চিত করবার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার তৃণমূল পরিচালিত মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্যরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন জেলা পরিষদ ভবনে।
৭০ আসনের জেলা পরিষদের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন একাধিক কর্মাধ্যক্ষ সহ ৫৮ জন তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য। বৈঠকের পর দলনেতা তজিমুদ্দিন খান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন ,”ভোটের সময় জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোসারফ হোসেন, সহ সভাধিপতি বৈদ্যনাথ দাস সহ প্রায় ১১ জন জেলা পরিষদ সদস্য দলবিরোধী কার্যকলাপ করেছেন। তাই আজ জেলা পরিষদের সদস্যরা একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যারা দল বিরোধী কাজে বিধানসভা নির্বাচনের সময় যুক্ত ছিলেন তাদের কোন শর্তেই দলে নেওয়া হবে না।”
প্রসঙ্গত ভোটের প্রচারে এসেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলবিরোধী কাজের দায়ে একগুচ্ছ তৃণমূল কর্মীকে সাসপেন্ড করেন। অন্যদিকে তজিমুদ্দিন খান আজ জানান, “আমরা জেলা পরিষদ সদস্যরা মাঝে মধ্যে জেলা পরিষদ ভবনে ছোট ছোট বৈঠকে মিলিত হই। কিন্তু আজকে একটি বিশেষ কারণে আমাদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। ঐক্যমতের ভিত্তিতে আমরা আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিধানসভা নির্বাচনের সময় যে সমস্ত জেলা পরিষদ সদস্য দলের সাথে গদ্দারি করেছিলেন তাদেরকে আর দলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।” তিনি জানান, “আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এবং জেলা কোর কমিটির সদস্যদেরকে লিখিতভাবে জানাচ্ছি।


‘গদ্দার’দের দলে না ফেরানোর দাবিতে শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের। এর পাশাপাশি আমরা আমাদের লিখিত আবেদন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছেও পাঠাচ্ছি। তবে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহ সভাধিপতি সহ অন্যান্য সদস্যরা রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলে ফিরতে চাইছেন। আর সেই জন্যই কি তড়িঘড়ি এই বৈঠকের আয়োজন? কারন বৈঠকের অনেকেই ওই পদের দাবিদার।







