নজরবন্দি ব্যুরোঃ আর টীকা পাবেন না চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা, স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। দেশে ফের ফিফথ গিয়ারে করো সংক্রমণ। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক যাওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সংক্রমনের মোট সঙ্খ্যাও কোটি ছাড়িয়েছে। এমন অবস্থায় উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী বসেছেন জরুরি বৈঠকে।
আরও পড়ুনঃ ফের লকডাউনের পথে দেশ, ভয়াবহ সংক্রমণ আবহে বৈঠকে বসলেন চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া প্রথম ধাপে চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মীদের টীকা দেওয়ার পর এবার সাধারণ মানুষকে টীকা দেওয়ার কাজ চলছে জোরকদমে। এমন অবস্থায় যে সমস্ত চিকিত্সক এবং স্বাস্থকর্মীরা সরকারি টিকাকরণ কর্মসূচিতে এখনও টিকা নেননি, তাঁরা আর সুযোগ পাবেন না বলে জানিয়ে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে বিভিন্ন ক্যাটেগরির মানুষদের দ্রুত টিকাকরণের আওতায় আনতেই এই পদক্ষেপ। জানুয়ারি মাসে প্রথম দফাতেই চিকিত্সক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল।
সে সময় অনেকেই প্রতিষেধক নিতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। তাদের আর সুযোগ দিতে রাজি নয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। শনিবারই এইমস প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া কমবয়সিদেরো এখনই টিকাকরণের আওতায় আনার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, টিকাকরণ শুরু হওয়ার ৭-১০ দিন পরেই মানুষের আগ্রহ কমে যায়। সে সময় অপেক্ষা না করে পরবর্তী ক্যাটেগরিদের টিকা দেওয়া হোক। গুলেরিয়ার বক্তব্যকেই মান্যতা দেওয়ার পথে হাঁটল কেন্দ্র। স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ বলেছেন, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে পাশে নিয়ে অনেকদিন ধরেই টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে। সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে বেশ কিছুক্ষেত্রে। বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর এসেছে, অযোগ্য ব্যক্তিরাও প্রতিষেধক পেয়ে গেছে। কিন্তু যাঁদের নেওয়ার কথা তাঁরা অনেকেই অনীহা দেখিয়েছে। তাই আর দেরি না করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে কর্মসূচি।
আর টীকা পাবেন না চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা, স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। চিকিত্সক এবং স্বাস্থ্যকর্মী যারা নেননি, তাঁরা আর সরকারি টিকা পাবেন না। এদিকে করোনা সংক্রমণ ফের ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এমন সময় গোটা দেশে মিনি লকডাউন হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছে এইমস। এপ্রিলে লাগামছাড়া যাবে সঙ্ক্রমণ একথাও জানানো হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে।



