TET Scam: হাইকোর্টে খারিজ হলনা CBI তদন্ত, খাদের কিনারায় ১৭ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য

হাইকোর্টে খারিজ হলনা CBI তদন্ত, খাদের কিনারায় ১৭ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য
Division Bench will hear Primary TET case on next Thursday

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগ তদন্ত মামলায় আপাতত একক বেঞ্চের রায়ই বহাল রইল। মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানি শুরু হয়েও শেষ হল না। মাত্র ১০ মিনিট এই মামলা শোনার পর আদালত জানায়, আগামী বৃহস্পতিবার আবার শুনানি হবে।

আরও পড়ুনঃ শাসক শিবিরের রাষ্ট্রপতির পদপ্রার্থী নাইডু? কেসিআরের ভোট চায় বিজেপি

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত বলেন, পরীক্ষা দিয়েছিলেন প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে ২৬৯ জনের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্ষদ সেই ভুল সংশোধন করতে রাজি। আইনজীবী জানান, ভুলত্রুটি হলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হোক। যদিও সেই আর্জি মানেনি কলকাতা হাই কোর্ট। মাত্র ১০ মিনিটের শুনানি শেষে হাই কোর্ট জানায় আগামী বৃহস্পতিবার আবার এই মামলা শোনা হবে।

হাইকোর্টে খারিজ হলনা CBI তদন্ত, খাদের কিনারায় ১৭ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য
হাইকোর্টে খারিজ হলনা CBI তদন্ত, খাদের কিনারায় ১৭ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য

২০১৪ সালে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই মতো টেটের পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর। ফলপ্রকাশ হয় ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে। ওই বছরই প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। পরের বছর অর্থাৎ, ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বা অতিরিক্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। এই নিয়োগে প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে ৪২ হাজার প্রার্থীকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

calcutta high court 6

সূত্রের খবর, এই ৪২ হাজার শিক্ষকের মধ্যে অধিকাংশই নিয়োগ পেয়েছে বেলাইনে। সেই শিক্ষকদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার। সেই কারনেই ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা হিসাবে চাকরিতে যোগদানকারী প্রার্থীদের সব আসল তথ্য সহ এই সংক্রান্ত রেকর্ড ও ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে সব জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদের চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ

হাইকোর্টে খারিজ হলনা CBI তদন্ত, খাদের কিনারায় ১৭ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য

cbi 4

আর তাতেই সমস্যায় পড়েছেন হাজার হাজার কর্মরত শিক্ষক। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে তথ্য সংগ্রহের কাজ। জেলা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষায় পাশ করে যারা ২০১৭ থেকে ২০২০ এর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সকলের নথি পাঠাতে হবে৷ চাওয়া হয়েছে পরীক্ষার্থীদের নিয়োগপত্রের কপি সহ একাধিক তথ্য৷