নজরবন্দি ব্যুরোঃ তাঁর ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপ ঘিরে বিভিন্ন মহলে তাঁকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছিল। শনিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন,”ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে স্বাভাবিকভাবেই আমি আক্রান্ত। এটাই হবার কথা। আমার যায় আসে না। যা করেছি তা, দরকার হলেই, আবার করব”। রবিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে ক্ষমা চাইলেন কবীর সুমন।
আরও পড়ুনঃ Kabir Suman: দরকার হলে আবার করব, অডিও বিতর্ক নিয়ে ফেসবুক বার্তা কবীর সুমনের


নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, “ভেবে দেখলাম সে দিন টেলিফোনে এক সহনাগরিককে যে গাল দিয়েছিলাম, সেটা সুশীল সমাজের নিরিখে গর্হিত কাজ। এতে কাজের কাজ কিছু হল না, মাঝখান থেকে অনেকে রেগে গেলেন, উত্তেজিত হলেন। এমনিতেই করোনার উৎপাত তার উপর ফোনে গালমন্দ—লাভ কী। তাই আমি সহনাগরিকের কাছে, বিজেপি আরএসএস-এর কাছে এবং বাঙালিদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি”।
তাঁর সংযোজন,”অক্ষম মানুষই কটুক্তি করে। সত্যিকারের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা যদি থাকত তাহলে কি আর খিস্তি করতাম। আমাদের দেশে যারা একদিন বিদেশী প্রভুত্বের অত্যাচারের প্রতিশোধ নিয়েছিলেন তাঁরা তো খিস্তি করেননি। সেই ক্ষমতা আমার নেই তাই গালাগাল। অক্ষমের হাতিয়ার। কোনও কাজেই লাগে না। উলটে, রেগে যাওয়া ভদ্রজনদের উত্তেজনাবৃদ্ধির কারণে এই শহরের আইনরক্ষকদের চিন্তা ও কাজ বাড়ায় মিছিমিছি।
কবীর সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়ে লেখেন,”আইনরক্ষীরা নিশ্চিন্ত থাকুন। আমি চেষ্টা করব সব ব্যাপারে একদম চুপ থাকতে। আর কোন কোন ব্যাপারে কে কে আমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা দাবি করছেন বা করবেন বলে ভাবছেন দয়া করে একটি তালিকা বানিয়ে ডাকযোগ পাঠান। আমি নতমস্তকে সম্মতিসূচক সই করে দেব”। তিনি আরও বলেন, “যেটা ভাবলে আপনাদের মন ভালো হয়ে ওঠে সেটাই ভাবুন”।


অক্ষম মানুষই কটুক্তি করে, ক্ষমা চেয়ে ফেসবুক পোস্ট

পোস্টের শেষে কবীর সুমনের বার্তা, “আমার মাতৃসমা, গুরুস্থানীয়া সুরসম্রাজ্ঞী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে তাঁর নব্বই বছর বয়সে যে পদ্মশ্রী খেতাব ছুঁড়ে দেওয়া হল তা মানতে পারলাম না।”







