নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝাড়খণ্ড কান্ডে ক্রমাগত ঘনাচ্ছে রহস্য। গতকাল যে ব্যবসায়ীর অফিস থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধার হয়েছিল তাঁর খোঁজে দিল্লিতে যায় সিআইডি কর্তারা। সেখানে সিদ্ধার্থ মজুমদার নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালায় দিল্লি পুলিশ।সেই ঘটনায় চার সিআইডি অফিসারকে আটকে দিল করল দিল্লি পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ SSC Scam: শান্তিনিকেতনে অভিযানে নামল ইডি, নজরে অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা


এই মুহুর্তে পাওয়া খবর অনুযায়ী, আউথ ক্যাম্পাস থাকায় আটকে সিআইডির ১ ইনস্পেক্টর, ২ জন এসআই এবং একজন এএসআই। এই মুহুর্তে জট কাটাতে উপস্থিত হচ্ছেন রাজ্য পুলিশের তিন শীর্ষ কর্তা। সিআইডি সূত্রে খবর,সিদ্ধার্থ মজুমদারের বাড়িতে সিআইডি অফিসাররা উপস্থিত হতেই বলা হয়, এই তল্লাশি অভিযান সিদ্ধার্থ মজুমদারের বাড়িতে চালানো যাবে না।
The case involves seizure of huge cash from 3 MLAs of Jharkhand. Detaining & preventing the CID WB team to conduct lawful search will lead to disappearance of crucial evidence by the suspects responsibility of which will lie on the DP officers who prevented the search. @CPDelhi
— CID West Bengal (@CIDWestBengal) August 3, 2022
শনিবার হাওড়ার পাঁচলার একটি গাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করে পরে তাঁদেরকে আটক করা হয়। গাড়ির মধ্যে থাকা সকলকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার বিকেলেই বার্মোর বিধায়ক কুমার জয়মঙ্গল সিং বলেন, ঐ তিন জন বিধায়কদের তরফে দলবদলের প্রস্তাব এসেছিল। বলা হয়েছিল বিধায়কদের অসমে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রত্যেক দলবদলু বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা এবং মন্ত্রীপদ। এরপরেই বেড়েছে সিআইডির তৎপরতা।

সিআইডি সূত্রে খবর, হেফাজতে নেওয়া ওই তিন বিধায়ক দাবি করেছেন গত মাসের প্রথম দিকে তাঁরা অসমে গিয়েছিলেন। সেখানে এক মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতিতে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে। ধৃত তিন বিধায়কদের নাম রাজেশ কাচ্ছাপ ও নমন কোঙ্গারি, ইরফান আনসারি। তিনজনের প্রথমে বিমানে করে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে বিমানে করে আসলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা ছিল বলে অন্যহাত হয়ে টাকা ঘুরেছিল।
সেকারণেই মঙ্গলবার হেয়ার স্ট্রিটের বিকানের বিল্ডিংয়ে হানা দেয় সিআইডি কর্তারা। হেয়ার স্ট্রিটের বিকানের বিল্ডিংয়ে হানা দিয়েছে সিআইডি । পলাতক ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগরওয়াল। শেয়ার ট্রেডিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
চার সিআইডি অফিসারকে আটক করল দিল্লি পুলিশ, কলকাতা থেকে যাচ্ছেন কর্তারা।

সিআইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তির বাড়িতে দ্রুত তল্লাশি অভিযান না চালানো হলে তথ্য বিকৃত করার সম্ভাবনা থাকছে। তাই সমঝোতার জন্য উপস্থিত হচ্ছেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা।









