নজরবন্দি ব্যুরো: সেই অভিশপ্ত মে মাস! প্রতিবছর এই মে মাসেই একের পর এক দুর্যোগ দাঁড়িয়ে থাকে বাংলার দোরগোড়ায়! ফণী, আমফান একাধিক ঘূর্ণিঝড় এই বাংলায় দাপট দেখিয়েছে! এবছর ফের একবার আরও একটি ঘূর্ণিঝড় আসছে, সেটা হল মোচা। আর এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরেই আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও শিলা বৃষ্টির সতর্কতা পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জেলায় কালবৈশাখীও হতে পারে।
আরও পড়ুন: Weather update: ঘনাচ্ছে দুর্যোগের কালো মেঘ! ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে বঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস!
যদিওবা চলতি সপ্তাহের শুক্রবার থেকে বাড়তে পারে তাপমাত্রা। কিন্তু ফের শনিবার থেকেই বদল আসবে আবহাওয়াতে। জানা যাচ্ছে, ৬ মে শনিবার বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। আর আগামী সোমবারের মধ্যে সেই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। তবে কোন ঘূর্ণিঝড় ঘুরবে, সে বিষয়ে এখনও কোন পূর্বাভাসটাই দেয়নি ভারতের মৌসম ভবন।
অভিশাপ সেই মে মাস, সপ্তাহের শেষে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরির আশঙ্কা বঙ্গোপসাগরে

অন্যদিকে, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন সংস্থা গুলি দাবি করছে যে, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ বা মায়ানমার উপকূলে। আগামী ৬ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরে এই ঘূর্ণাবর্ত ৮ থেকে ৯ তারিখের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে। যা পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।

এরপরে ওই গভীর নিম্নচাপ ১০ থেকে ১২ মে-এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর এই ঘূর্ণিঝড় চলতি মাসের ১৪-১৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম থেকে মায়ানমারের রাখাইন কুলের মাঝামাঝি কোনও একটা স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। আর সেই সময় ওই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিমি. থাকার সম্ভাবনা আছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নিচ্ছে নবান্ন। পাশাপাশি মে মাসের শুরু থেকেই চালু হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। গতকাল, মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যের সব জায়গায় বিপজ্জনক নদী বাঁধগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার।



