নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১-শের নির্বাচনে সরকার গড়বে বাম-কংগ্রেস! আশাবাদী বামনেতা সুজন চক্রবর্তী। সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন, এই বর্ষীয়ান বাম নেতা । এদিন তিনি বলেন,”তৃণমূল থেকে বাদ পড়া নেতারাই বিজেপিতে বসে রয়েছে। তৃণমূলের উপর আর মানুষের কোনও আস্থা নেই। আর বিজেপিকে সরকারে আনার কথা সাধারণ মানুষ ভাববে না।”
আরও পড়ুনঃ বছর ঘুরলেই ভোট বাংলায়। নজিরবিহীন উদ্যোগ নিল নির্বাচন কমিশন!


তিনি আরও বলেন, “আমি নিশ্চিত, ২০২১শের নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সরকার গড়বেন সাধারণ জনগণ। তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি টের পেয়েছে। আর তারা একই ভুল করবেন না। মানুষ বুঝতে পারবে, বাম-কংগ্রেস জোটই এখন ভরসা।” তিনি এদিন বারবারই বাম-কংগ্রেস জোটের কথা উল্লেখ করেছেন। ফলে এইটা স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে আগামী নির্বাচনে বাম এবং কংগ্রেস একই সঙ্গে লড়বে।
কিছুদিন আগে এমনই সুর শোনা গেছিলো, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরির গলায়। তিনি টুইট করে, বাম ও কংগ্রেস জোট আগামী নির্বাচনে লড়বেন, সেইটা জানিয়েছিলেন। এছাড়াও লোকাল ট্রেন না চলায় এদিন রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
অন্যদিকে আজ নির্বাচন কমিশন বড় পদক্ষেপ নিল ২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে। বুথ পিছু ভোটারের সংখ্যা কমিয়ে দিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। বুথ পিছু ভোটার সংখ্যা কমিয়ে গড়ে ১ হাজার ৫০০ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কিন্তু কিছু বুথ এমনও আছে যেখানে ১ হাজার ৫০০ জন ভোটারই নেই সেক্ষেত্রে কি করা যাবে? নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কম সংখ্যক ভোটারের বুথে বেশি সংখ্যক ভোটারের বুথ থেকে ভোটার নিয়ে এসে সমতা বজায় রাখা হতে পারে। প্রয়জনে বেশি সংখ্যক ভোটারের বুথ গুলি একাধিক ভাগে ভাগ করে দেওয়া হতে পারে। বাড়তে পারে বুথের সংখ্যা।


কমিশন জানিয়েছে বুথে যাতে লম্বা লাইন না পড়ে এবং সামাজিক দূরত্ব যাতে বজায় থাকে সে জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই নিয়ে আগামী ৯ নভেম্বর বেলা ২ টোয় সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সর্বদলিয় বৈঠকের পরদিন অর্থাত্ ১০ নভেম্বর একই ইস্যুতে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন।







