নজরবন্দি ব্যুরোঃ বছর ঘুরলেই ভোট বাংলায়। ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। শুরু হয়ে গিয়েছে দলবদলের খেলাও। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা সভা সমিতি দেখতে অভ্যস্ত রাজ্যবাসী এখন করোনা পরিস্থিতির কারনে ততটা সভা সমিতি দেখা যাচ্ছেনা। প্রচার চলছে কার্যত সামাজিক মাধ্যম কে ভিত্তি করেই। রাজ্যে সংক্রমনের গতি সামান্য কমলেও দাপট রয়েছে প্রায় একই ভাবে।
আরও পড়ুনঃ দার্জিলিংয়ের জেলাশাসককের সঙ্গে বৈঠক, রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ রাজ্যপালের।


রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা মৃত্যুর সংখ্যা। অন্যদিকে ভ্যাকসিন এখনও বাজারে আসেনি। এদিকে নির্বাচন আসন্ন। তাই কোভিড আবহের মধ্যেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে। আর সেকথা মাথায় রেখেই বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। বুথ পিছু ভোটারের সংখ্যা কমিয়ে দিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।
বুথ পিছু ভোটার সংখ্যা কমিয়ে গড়ে ১ হাজার ৫০০ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কিন্তু কিছু বুথ এমনও আছে যেখানে ১ হাজার ৫০০ জন ভোটারই নেই সেক্ষেত্রে কি করা যাবে? নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কম সংখ্যক ভোটারের বুথে বেশি সংখ্যক ভোটারের বুথ থেকে ভোটার নিয়ে এসে সমতা বজায় রাখা হতে পারে। প্রয়জনে বেশি সংখ্যক ভোটারের বুথ গুলি একাধিক ভাগে ভাগ করে দেওয়া হতে পারে। বাড়তে পারে বুথের সংখ্যা।
রাজ্যে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।


বছর ঘুরলেই ভোট বাংলায়। কমিশন জানিয়েছে বুথে যাতে লম্বা লাইন না পড়ে এবং সামাজিক দূরত্ব যাতে বজায় থাকে সে জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই নিয়ে আগামী ৯ নভেম্বর বেলা ২ টোয় সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সর্বদলিয় বৈঠকের পরদিন অর্থাত্ ১০ নভেম্বর একই ইস্যুতে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন।







