নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২ঘন্টা পিছিয়ে দুপুর ২টোয় শুনানি! আর সেই কারণেই আজ হাইকোর্টে একসঙ্গে লড়বেন দেশের প্রথম সারির দুঁদে আইনজীবীরা। হেভিওয়েটদের জামিন নাকি মামলা স্থানান্তরণ, এবার কি মুক্তি নাকি সিবিআই এর ইচ্ছেমতো চার হেভিওয়েটকে ছুটতে হবে অন্য রাজ্যে? প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজই। তবে অপেক্ষা করতে হবে কিছুক্ষণ। সূত্রের খবর ৪ জনের বিরুদ্ধেই আঁটসাঁট মামলা সাজিয়েই হাইকোর্টে যাচ্ছে CBI।
আরও পড়ুনঃ নারদ কান্ডে নয়া মোড়, মুখ্যমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীক নোটিস CBI-এর


এই ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। সপ্তাহের শুরুর দিনেই আচমকা বিনা নোটিসে মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারি দল। নিয়ে যাওয়া হয় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। নিজাম প্যালেসেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় অ্যারেস্ট মেমো। সেখান থেকেই শুরু ঘটনার।
সন্ধ্যে নাগাদ নিম্ন আদালত জামিনে স্থগিতাদেশ দিলেও, CBI মামলা নিয়ে যায় হাইকোর্টে। তার পর জামিনে স্থগিতাদেশ আসে, এবং আজ তার পরবর্তী শুনানি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চাইছে ৪ জনকেই জেল হেফাজতে রাখতে। অপরদিকে CBI এর তরফ থেকে প্রথম দিন থেকেই আবেদন করা হয়েছে মামলা অন্য রাজ্যের নিয়ে যাওয়ার জন্য।
কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে পরিস্থিতির চাপ! ববি-সুব্রতদের পাশে থাকতে সেদিন সকালেই নিজাম প্যালেসে পৌঁছে গিয়েছিলেন দিদি। ঠাই বসেছিলেন। সকালেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন গ্রেপ্তার করতে হবে তাঁকেও। তার পর থেকে ভেতরে দলনেত্রী এবং বাইরে দলীয় কর্মীরা, গোটা রাজ্যের নজর কেড়ে রেখেছিলো নিজাম প্যালেস। প্রায় ঘন্টা ৬ পরে নিজাম প্যালেস ছেড়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অন্যদিকে নিম্ন আদালত চত্বরে সমর্থকদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, পুর শুনানি কালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়।


অন্যদিকে নেতা মন্ত্রীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে দিনভর নিজাম প্যালেসের বাইরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা। সব মিলিয়ে CBI এর দাবী এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে এই মামলা চালাতে গেলে চাপ তৈরি হবে। ইতিমধ্যে নিজেদের ভিত শক্ত করতে মুখ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী সহ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই মামলার পক্ষ করেছে CBI। আর এই দুই মামলার শুনানির কারণে আদালতে একসঙ্গে লড়বেন দুঁদে আইনজীবীরা।
২ঘন্টা পিছিয়ে দুপুর ২টোয় শুনানি! রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং সুব্রত মুখ্যপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র এবং রাজ্যসভার সাংসদ আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙভি। মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করছেন সিদ্ধার্থ লুথার। কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী একাধিক মামলার দায়িত্বে রয়েছেন সিদ্ধার্থ লুথার। অন্যদিকে CBI এর তরফ থেকে মাঠে নামছেন অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার মেহেতা







