নারদ কান্ডে নয়া মোড়, মুখ্যমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীক নোটিস CBI-এর

নারদ কান্ডে নয়া মোড়, মুখ্যমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীক নোটিস CBI-এর
নারদ কান্ডে নয়া মোড়, মুখ্যমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীক নোটিস CBI-এর

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নারদ কান্ডে নয়া মোড়, এবার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রীকে যুক্ত করলো CBI, তাঁদের পাঠানো হয়েছে নোটিসও। গত সোমবার রাত্রি থেকেই CBI এর তরফ থেকে বারবার দাবী করা হয়েছে এই মামলা স্থনাতরিত করা হোক অন্য রাজ্যে, এবার সেই দাবীর ভিত আরও শক্ত করতেই, মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে অন্যতম পক্ষ করলো CBI।

আরও পড়ুনঃ চাপ দিলেও ‘বাবা’ BJP’তে যোগ দেননি, তাই এই ‘বেআইনি গ্রেপ্তারি’, বিস্ফোরক ফিরহাদ কন্যা

এই ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। সপ্তাহের শুরুর দিনেই আচমকা বিনা নোটিসে  মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারি দল। নিয়ে যাওয়া হয় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। নিজাম প্যালেসেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় অ্যারেস্ট মেমো।  তার পর থেকেই কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছিল গোটা তৃণমূল। দিকে দিকে দিনভর চলেছে তীব্র বিক্ষোভ। এখনো তৃণমূল বলছে পরাজয়ের প্রতিহিংসা থেকেই এসব করছে বিজেপি। বিধানসভার স্পিকার বলছেন এই গ্রেপ্তার বেআইনি। তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের সকল অবিজেপি দল্গুলিও।

ববি-সুব্রতদের পাশে থাকতে সেদিন সকালেই নিজাম প্যালেসে পৌঁছে গিয়েছিলেন দিদি। ঠাই বসেছিলেন। সকালেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন গ্রেপ্তার করতে হবে তাঁকেও। তার পর থেকে ভেতরে দলনেত্রী এবং বাইরে দলীয় কর্মীরা, গোটা রাজ্যের নজর কেড়ে রেখেছিলো নিজাম প্যালেস। প্রায় ঘন্টা ৬ পরে নিজাম প্যালেস ছেড়েছিলেন  তৃণমূল সুপ্রিমো। অন্যদিকে বিচার চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক। মুখ্যমন্ত্রীর সারাদিন সেখানে বসে থাকা নিয়ে প্রথম  থেকই ভাবছে CBI।

নারদ কান্ডে নয়া মোড়, CBI এর দাবী বাইরে জনগণের বিক্ষোভ এবং ভেতরে হেভিওয়েটদের উপস্থিতি  চাপ তৈরি করতে পারে মামলার কাজে। সেই কারণেই সোমবার থেকেই ওন্য রাজ্যে মামলা স্থানান্তরিত করতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীকে যুক্ত না করলে, তাদের দাবির ভিত শক্ত হতোনা।

রিট পিটিশনে CBI জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নেতা মন্ত্রীদের গ্রেপ্তারের পরেই চলে আসেন নিজাম প্যালেসে, সেখানে দাবী করেন ৪ জনের মুক্তির, অন্যথায় তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি করে, ওপর দিকে ভেতরে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বাইরেও বহু মানুষ চিৎকার করতে থাকেন, অন্যদিকে আদালতে আইনমন্ত্রী বহু কর্মী সমর্থকদের নিয়ে গিয়েছিলেন।, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও বহু লোক নিয়ে ঢুকে পড়েন CBI দপ্তরে। হুমকি দেন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে স্বাভাবিক ভাবে বিচার সম্ভব নয় কোনভাবেই। রাজ্যে এই ধরনের পরিস্থিতি আগেও তৈড়ি হয়েছে, সেই উদাহরণ ও তুলে ধরা হয়েচেহ CBI এর পক্ষ থেকে। সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং সাংসদকে মামলার পক্ষ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।   আজ দুপুর ২টোর সময় এই মামালার শুনানি হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here