দীর্ঘ তিন বছর ধরে যাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছে সিবিআই এবং ইডি, কয়লা পাচার মামলার মূল অভিযুক্ত সেই অনুপ মাঝি ওরফে লালা অবশেষে নিজেই আত্মসমর্পণ করলেন। মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে এসে তিনি ধরা দিলেন। আদালত তাঁকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে। তবে, খুব দ্রুত শুরু হবে বিচার প্রক্রিয়া।
আরও পড়ুন: অভিজিতের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত, এবার কার এজলাসে শুনানি?


কয়লা পাচারকাণ্ড। বিগত তিন থেকে চার বছর ধরে বারংবার যে মামলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আর সেখানে শিরোনামে উঠে এসেছে যে নামটি, সেটি হল অনুপ মাঝি বা লালা। কিন্তু, তাঁকে কখনও হাতেনাতে ধরতে পারেনি সিবিআই বা ইডি। এই মামলা প্রথমে শুরু হয় আয়কর দফতর থেকে। এরপর মামলা হাতে নেয় সিবিআই।

কয়লা পাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় তৃণমূলের তৎকালীন যুব নেতা বিনয় মিশ্র এবং তাঁর ভাই বিকাশের। বিকাশকে গ্রেফতারও করে ইডি। এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করে ইডি। নাম উঠে আসে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকেরও। তবে চার্জশিটে তাঁর নাম ছিল না।



এদিন আদালত লালাকে জামিন দিলেও তা দেওয়া হয়েছে শর্তসাপেক্ষে। সিবিআই-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কয়লা পাচার মামলায় চূড়ান্ত চার্জ গঠনের। আগামী সোমবার, ২১মে-এর মধ্যে এই কাজ করতে হবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। এই সময়টা লালাকে পৈতৃক বাড়িতে থাকারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
নিজেই ধরা দিলেন কয়লা পাচারের কিংপিন লালা, এবার কী পদক্ষেপ নেবে CBI?

পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর মহকুমার নিতুড়িয়া থানা এলাকার অন্তর্গত ভামোরিয়া গ্রামে লালার পৈতৃক বাড়ি। সেখানেই থাকেন লালার মা। প্রতিটি শুনানিতে লালাকে হাজিরাও দিতে হবে সশরীরে, এরকম নির্দেশও দিয়েছে আদালত। কোনও ভাবেই আদালতের নির্দেশ ছাড়া লালা এলাকা ছাড়তে পারবেন না।







