তমলুক কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই মামলা ছেড়ে দিলেন তিনি। অভিজিতের মামলাটি কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত এমনটাই আদালত সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন: মনোনয়ন জমা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি


গত ৫ মে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, হামলা ও ভাঙচুর, অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তমলুকে চলছে চাকরিহারাদের বিক্ষোভ। প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে সরব এসএসসি মামলার রায়ে চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। সেই এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়েই উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন অভিজিৎ।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে অভিজিতের মনোনয়ন জমা দেবার দিন। সেদিন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিশাল মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি। তমলুক হাসপাতাল মোড়ে চাকরিহারা শিক্ষকদের অনশনমঞ্চের কাছে পৌঁছতেই গন্ডগোল শুরু হয়। গত ২৯ এপ্রিল থেকে তাঁরা সেখানে জমায়েত করছেন। চলছে অনশন। জেলার থেকেও আরও চাকরিহারারা এসে যোগদান করেছেন অনশন মঞ্চে।



এই অনশন মঞ্চের কাছে অভিজিতের মিছিল পৌঁছাতেই তাঁকে ‘চাকরিখেকো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন মঞ্চে উপস্থিত আন্দোলনকারীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও অভিজিতের নামে ‘চোর-চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এখানেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরাও।
অভিজিতের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত, এবার কার এজলাসে শুনানি?

বিজেপির মিছিল থেকেও ওঠে স্লোগান। অভিযোগ, মিছিল থেকে জুতো, ইট ছোঁড়া হয় অনশনমঞ্চের দিকে। আর তাতেই আহত হন চাকরিহারা কয়েকজন শিক্ষক। তাঁরাই পুলিশের কাছে অভিজিতের নামে অভিযোগ জানান এবং দায়ের হয় এফআইআর। এই মামলার কারণে তাঁর প্রচারে বেরোতে অসুবিধা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিজিৎ। সেই কারণে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।







