হাহাকার লক্ষাধিক কর্মপ্রার্থীর। সুজন-মান্নানের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীর সাধের যুবশ্রীরা!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাহাকার লক্ষাধিক কর্মপ্রার্থীর। সুজন-মান্নানের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীর সাধের যুবশ্রীরা!সমগ্ৰ পৃথিবী দেশ তথা রাজ্যের সংকটকালীন পরিস্থিতি চলছে। মানুষ যখন ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে তখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার কমেছে বলে দাবি করেছে। এই দাবি মুখ্যমন্ত্রী করে আসছেন বিগত কয়েকটি কর্মসুচি থেকে। এমনকি ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ এর দিনও সরকার চল্লিশ শতাংশ বেকার কমেছে বলে দাবি করেছেন। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত স্বপ্নের প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম”যুবশ্রী”প্রকল্প। যার উদ্ধোধনী বক্তৃতায় তিনি রাজ্যের নথিভুক্ত স্বীকৃত যুবকদের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

আরও পড়ুনঃ ফের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ মুখ্যমন্ত্রীর। এবার আন্দোলনে গ্রামীন সম্পদ কর্মী (SAVRP) রা।

হাহাকার লক্ষাধিক কর্মপ্রার্থীর। সরকারের কাছে বারংবার পৌঁছে দিয়েও সরকার উদ্যোগ গ্ৰহন না করায় স্বীকৃত যুবশ্রী সদস্য সদস্যা রা সংগঠিত হতে বাধ্য হন।এবং বিভিন্ন ভাবে তাদের দুরাবস্থার কথা সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন। লকডাউনে জনজীবণ বিপর্যস্ত, যান চলাচল অস্বাভাবিক। এই কঠিন মহামারী পরিস্থিতিতে মানুষ বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন একদিকে। ঠিক তখন অন্যদিকে বেকারত্বের জ্বালা মাথায় নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন হাজারো যুব যুবা। মুখ্যমন্ত্রীর ২০১৩ সালের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুবশ্রীদের সরকারি শূন্যপদ গুলিতে নিয়োগ এর ব্যাপারে সরকার উদ্যোগী না হওয়ায় “অল বেঙ্গল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন” রাজ্য কমিটির কর্মকর্তারা যুবশ্রীদের সুরাহার জন্য ছুটে বেড়াচ্ছেন।

পূর্বপরিকল্পিত কর্মসুচি্র পরিকল্পনা অনুযায়ী জেলা কমিটির কর্মকর্তারা হাতে হাত মিলিয়ে জেলায় জেলায় একের পর এক স্মারকলিপি প্রদান করে চলেছেন। এমন ই এক কর্মসুচি সম্পন্ন হলো গত ১২ই আগস্ট। সংগঠনের রাজ্য কমিটির কর্মকর্তারা এই মহামারী পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, পৌঁছে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায়। সেখানে তাঁরা সাক্ষাৎ করেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান, বিধায়ক মিল্টন রশিদ এবং বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর সাথে। তাঁদের খুলে বলেন পুরো বিষয়টি।

সংগঠনের রাজ্য কমিটির কর্মকর্তা অনিমেষ বন্দ্যোপাধ্যায়, জুলফিকার রহমান, দিব্যেন্দু সিংহ রায় ইনাদের তত্ত্বাবধানে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সুরথ কুমার দাস , সদয় সরকার,গৌরী শংকর করণ,সম্রাট চৌধুরী,এবং আরও উপস্থিত ছিলেন শেখ রহনাতুল্লা ও কুন্তল মজুমদার।

সুজন চক্রবর্তী কে তাঁরা যুবশ্রী কর্মপ্রার্থীদের আর্তনাদের কথা বিস্তারিতভাবে ব্যক্ত করে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। সংগঠনের রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বিষয় টি সবাই মনোযোগ সহকারে শুনেছেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। যুবশ্রীর কর্মপ্রার্থীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের সমস্ত বিধায়কদের কাছে পৌঁছে গিয়ে নিজেদের দূর্দশার কথা ব্যাক্ত করবেন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত