গতকাল কপালে চোট পেয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার চোট নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল, তিনি হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়েছিলেন। পরে হাসপাতালের ডিরেক্টর দাবি করেন, মমতা পিছন থেকে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান।
আরও পড়ুন: সিএএ কার্যকর নিয়ে চিন্তিত আমেরিকা ও জাতিসংঘ



মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার পর বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ডাঃ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, পিছন থেকে ধাক্কা লাগায় পড়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাড়িতে থাকাকালীন কীভাবে পিছন থেকে ধাক্কা লাগল, সেটাই বড় প্রশ্ন। এর উত্তর খুঁজতেই তদন্তে নেমেছে লালবাজার।
সূত্রের খবর, শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যাবে লালবাজারের সায়েন্টিফিক উইং, গোয়েন্দা বিভাগের দল। তাঁরা কথা বলতে চান মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হবে তদন্ত।বৃহস্পতিবার এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের ‘পিছন থেকে ধাক্কা’ মন্তব্য নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। পর সেই মন্তব্যের ব্যাখ্যাও মিলল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে।



হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, হাসপাতালে আসার পরে চিকিৎসকদের একাংশকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, পিছন থেকে ঠেলা অনুভব করার পরে তিনি পড়ে যান। কিন্তু মণিময়ের এই বক্তব্য নিয়েই বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হতে শুরু করে। তখন তড়িঘড়ি পিছন থেকে ধাক্কা মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেয় এসএসকেএম।
মুখ্যমন্ত্রী এখন স্থিতিশীল, কী ভাবে ঘটনা? তদন্তে লালবাজার

পরে মণিময় দাবি করেন, ‘‘মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার সময়ে এমন পিছন থেকে অনুভূতি হতে পারে।’’ মণিময় এ-ও বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সম্ভবত সেই সময় বলতে চেয়েছিলেন যে পড়ে যাওয়ার সময়ে পিছন থেকে ধাক্কার অনুভূতি তাঁর হয়েছিল, কিন্তু তার মানে এই নয় যে কেউ তাঁকে ধাক্কা দিয়েছিল।”







