নবান্ন অভিযানে উত্তেজনা! স্থায়ীকরণের দাবিতে মিছিল, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ধৃত ৬৪ সিভিল ডিফেন্স কর্মী

স্থায়ীকরণের দাবিতে নবান্ন অভিযানে সিভিল ডিফেন্স ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর মোট ৬৪ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

স্থায়ী চাকরির দাবিতে আবারও নবান্ন অভিযানে নামলেন সিভিল ডিফেন্স ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর অস্থায়ী কর্মীরা। মঙ্গলবার হাওড়া থেকে নবান্নের উদ্দেশে মিছিল শুরু হলেও পথে পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট ৬৪ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের প্রিজ়ন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে হাওড়া মেট্রো স্টেশনের সামনে জড়ো হন সিভিল ডিফেন্স ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর অস্থায়ী কর্মীরা। তাঁদের দাবি— দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করলেও স্থায়ীকরণের কোনও স্পষ্ট রূপরেখা নেই। তাই চাকরির নিরাপত্তা এবং নির্দিষ্ট কর্মপরিবেশের দাবিতে তাঁরা নবান্ন অভিযান সংগঠিত করেন।

কী দাবি আন্দোলনকারীদের

আন্দোলনকারীদের মূল দাবি দুটি—

এই দাবিতেই গত বছরও আন্দোলনে নেমেছিলেন সিভিল ডিফেন্স ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের আন্দোলনের পথে হাঁটলেন তাঁরা।

নবান্নের পথে বাধা

মিছিল হাওড়া থেকে নবান্নের দিকে এগোতে শুরু করলে গ্র্যান্ড ফোরশোর রোডে পুলিশ ব্যারিকেড করে তাদের আটকে দেয়। আগে থেকেই সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।

আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, তাঁরা নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু সেই অনুমতি দেয়নি পুলিশ।

ধর্নামঞ্চে যাওয়ার ঘোষণা

পুলিশি বাধার মুখে আন্দোলনকারীরা তখন ঘোষণা করেন, তাঁরা ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নামঞ্চে উপস্থিত হয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান।

এই ঘোষণা ঘিরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

শুরু হয় ধরপাকড়

পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে এগোতে গেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা এবং ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শিবপুর থানার পুলিশ অভিযান চালায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে ৬৪ জন আন্দোলনকারীকে আটক করে পরে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের প্রিজ়ন ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনার জেরে নবান্ন সংলগ্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়ালেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত