বেজে গেল দামামা। লোকসভা ভোটের আগে শক্তি প্রদর্শন সিপিএমের। ২০০৮ সালের পর ২০২৪। ১৬ বছর পর আজ ৭ই জানুয়ারী ” যৌবনের ডাকে জনগণের ব্রিগেড”। তারুন্যের, আবেগের ব্রিগেড। ছন্দে ফিরছে বাম রাজনীতি। আজ ময়দান ভরানোই বড় চ্যালেঞ্জ সিপিএমের। ৫০ দিনের মিছিল শেষে জমায়েত। যুব সংগঠন ডি ওয়াই এফ আইয়ের ডাকে ‘ইনসাফ সমাবেশ’ এ লোক আসছেন বহু দূরদূরান্ত থেকে।

আরও পড়ুন : কোন রুটের ভাড়া কত? অটো সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যার সমাধানে কলকাতা পুলিশ
যা বেশ ইতিবাচক বামেদের জন্য। দুপুরের মধ্যে ভিড় চোখে পড়ার মত। হাওড়া – শিয়ালদহ স্টেশনে ভোরের আলো ফোটার আগে ঠাণ্ডা উপেক্ষা আসছেন কর্মী সমর্থকেরা। ব্রিগেডে জমতে শুরু করেছে কর্মী সমর্থকদের ভিড়। বাসে, ট্রেনে, লঞ্চে কোথাও তিলধারণের ফাঁকা নেই। পায়ে হেঁটেও জেলা থেকে কলকাতায় পৌঁছে যাচ্ছে

সমর্থকেরা তাদের প্রিয় দলের কর্মসূচীতে দলের পাশে থাকার জন্য। শহরের ৭ জায়গা থেকে ৭ টি মিছিল আসছে ব্রিগেডে। লাল পতাকায় সেজে উঠেছে শহর। চলছে প্যারোডি গান। ছাত্র – যুবরা বিনিদ্র রাতযাপন করে গড়ে তুলেছে ৩২/২৪ ফুটের মুল মঞ্চ। সেখানে থাকবে প্রধান অতিথিরা। দুপুর ১২ টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দেরি হচ্ছে সমাবেশ শুরু হতে কারণ কাতারে কাতারে আসছে কর্মীরা।

১৬ বছর পর লাল পতাকায় মুড়েছে শহর, আজ আবেগের ‘ব্রিগেড’
এছাড়াও মঞ্চের ডান দিকে ও বাঁ দিকে ৪০/৪০ ফুটের দুটো আলাদা মঞ্চ থাকছে। পোষ্টারে, কাট আউটে ছেয়ে গেছে বাংলা। আসছেন প্রধান বক্তা মিনাক্ষী মুখার্জির বাবা -মা। ‘ব্রিগেড সমাবেশ সফল হবে, বড় হবে, ভাল হবে!’ মীনাক্ষী মুখার্জির হাত ধরে বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। দুর্নীতিহীন সমাজ গড়ার লক্ষে এই ব্রিগেড। নীতিহীনতা, বেকারত্বের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য এই ব্রিগেড। তাদের প্রধান দাবী – ‘রোটি, কাপড়া, মাকান।’



