নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২১শে জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ওপেনহাইমার। বলাবাহুল্য প্রথম দিয়েই দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে এই ছবি। ক্রিস্টোফার নোলান ছবি ‘ওপেনহাইমার’ আবারও প্রমান করল দিনের শেষে নিজের পরিশ্রমই কথা বলে। ওটিটির যুগে একমাত্র পরিচালক যিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন যাতে তার কোন ছবি ওটিটিতে মুক্তি না পায়। এবং তিনি যে সফল হয়েছেন তার একমাত্র প্রমান ‘ওপেনহাইমার’।
আরও পড়ুনঃ বিচ্ছেদ ঘোষণার পর লিঙ্গবদল! একোন নবনীতা?


সমস্ত সিনেমাপ্রেমী এবং সিনেমা বিশেষজ্ঞদের মতে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা পরিচালক হলেন নোলান। তিনি যে কতটা বুদ্ধিদীপ্ত তা তার সব ছবি দেখলেই বার বার প্রমাণিত হয়। যা বেশিরভাগ সাধারন দর্শকদের মাথার ওপর দিয়ে যায়। তবে ‘ওপেনহাইমার’ সেই দিক থেকে একেবারেই আলাদা।

‘ওপেনহাইমার’ ছবিটি তৈরি হয়েছে পরমাণু বোমার জনক রবার্ট ওপেনহাইমারের পুলিৎজারপ্রাপ্ত বায়োগ্রাফি ‘আমেরিকান প্রমেথিউয়াস’-এর ওপর ভিত্তি করে। ঐতিহাসিক এই চিত্রনাট্যতে গল্পটি খুব সহজ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে এই ছবিতে সবথেকে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে ছবির পরিচালনার ধরন যা নোলকের দ্বারাই সম্ভব।



ছবিতে রয়েছে একটি টানটান থ্রিলারের আভাস। পাশাপাশি ছবিতে রয়েছে বহু অস্কারজয়ী অভিনেতার ক্যামিয়ো। তবে নোলকের পরিচালনায় কেউই তারকাসুলভ ফ্রেম পায়নি। সকলকেই দেখানো হয়েছে সাধারন মানুষের রুপে। ২০২৩ তে তৈরি সিনেমাতেও কোন রকমের সিজিআই ব্যবহার করেন নি পরিচালক।
ওটিটির যুগে সিনেমা এখনও বেঁচে আছে, প্রমান করলেন নোলক
হিরোশিমা-নাগাসাকির বিস্ফোরণের কোনও রকম ফুটেজও সাড়া ছবিতে নেই। তা সত্ত্বেও সেই আতঙ্ক তিনি মানুষের মনে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর ওপেনহাইমারের বক্তৃতাও খুব সুন্দরভাবে ছবিটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গোটা বায়োপিকে জীবনের নৈতিক প্রশ্নগুলি বারবার ছবির মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেছেন। যা ছবিটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।







