নজরবন্দি ব্যুরোঃ আফগানিস্থানে গনি সরকারের পতন ঘটিয়ে তালিবানদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সে দেশের একাধিক শহরে তালিব আগ্রাসনের সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। পার্কে ঢুকে তালিব যোদ্ধাদের এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর পাশাপাশি দেশের রাজপথে আরোহীদের উপর অত্যাচারের একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে।
আরও পড়ুনঃপুজোর আগেই রাজ্যসভার উপনির্বাচন, মানসের আসনে ভোট ৪ই অক্টোবর
সেই থেকেই আফগানিস্থানে সদ্য প্রতিষ্ঠিত এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কে আদৌ স্বীকৃতি দেওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে সমগ্র বিশ্বের কূটনৈতিক মহল কে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের তরফ থেকে এখনই এই সরকার কে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ভাবা হলেও এই পরিস্থিতিতে আফগান সরকারের কাছে ত্রাতার ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বেজিং সরকার। গত বুধবার আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন , ” আফগানিস্তানের নতুন সরকারকে ২০ কোটি ইয়ানের (৩ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার) সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজিং।
যার মধ্যে শস্য, শীতকালীন কিছু সামগ্রী ও কোভিড টিকা সহ একাধিক সামগ্রী। পাক আয়োজিত এই বৈঠকে চীন, কাজাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, ও ইরানের বিদেশমন্ত্রী দের দেখা গেলেও, সেই বৈঠকে স্থান পায়নি রাশিয়া।
দিন কয়েক আগেও তালিব মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদের মুখে শোনা গিয়েছিল বেজিং সরকারের প্রশংসার কথা। সেইসঙ্গে চীন কেই নিজেদের আসল বন্ধু বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। যা থেকে সকলের কাছেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল আফগান-চীনের গভীর সম্পর্কের কথা।
তালিব সরকার কে মোটা অঙ্কের অর্থ পাঠাল বেজিং
তবে মার্কিন বিশেষজ্ঞদের এক অংশের অনুমান, তালিবান সরকারের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থ লুকিয়ে আছে বেজিং সরকারের, তাই নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যই এমন উদ্যোগ সি জিমপিংয়ের দেশের।




