নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন বছরের শুরু থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য বাড়াতে শুরু করেছিল মস্কো। যত সময় এগিয়েছে ততই তিক্ত থেকে তিক্ততর হয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। অনেকেই মনে করেছিল যুদ্ধ এবার সময়ের অপেক্ষা। অবশেষে গতকাল বাজল কৃষ্ণসাগরে রনডঙ্কা। যত সময় এগিয়েছে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে গোটা ইউক্রেন। এবার রুশ সেনাদের দখলে চেরনোবিল বিদ্যুৎকেন্দ্র। যা উস্কে দিচ্ছে পরমানু যুদ্ধের সম্ভাবনা।
আরও পড়ুনঃ যুদ্ধে যাওয়ার আগে মেয়ের সামনে হাঁটু গেড়ে বসলেন বাবা, ভাইরাল সেই ভিডিও


উল্লেখ্য, গত ১৯৮৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন জামানায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয় চেরনোবিল শহর। যা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা বিশ্ববাসী কে। প্রত্যক্ষ ভাবে ৩১ জন সে সময় প্রাণ হারালেও তেজস্ক্রিয়তার কবলে পড়েছিল লাখো লাখো মানুষ। নিমেষের মধ্যে জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল এই চেরনোবিল। এবার যুদ্ধের মাধ্যমে ইউক্রেন সরকারের থেকে ছিনিয়ে নিল রাশিয়া।
এই নিয়ে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোডোল্যাক বলেন, রুশ বাহিনী এবার চেরনোবিল পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। যারফলে আরও জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। রাশিয়ানদের এই আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী বলেন, পুতিন সরকার যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবে তাহলে তাকেও মনে রাখতে হবে ন্যাটোর কাছেও রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র।
রুশ সেনাদের দখলে চেরনোবিল বিদ্যুৎকেন্দ্র, সক্রিয় হচ্ছে ন্যাটো

তাহলে কি সুযোগ বুঝে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াবে ন্যাটো? হামলা চালাবে রুশ সেনার বিরুদ্ধে? যদিও সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী। তবে রাশিয়র এই বাড়বাড়ন্তে আদৌ যে চুপ থাকবেনা ন্যাটো তা বলাই চলে।









