নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২৩ জুলাই প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হেফাজতে নিয়েছিল ইডি। তারপর থেকে তাঁর ঠিকানা প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার। এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরআরও বিপদ বাড়াতে চলেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবার আলিপুর জাজেস কোর্টে তারা এই মর্মে একটি আবেদন করেছে সিবিআই। সেখানে সিবিআইয়ের স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তে নেমে একাধিক তথ্য পেয়েছে সিবিআই। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জোড়া চাপে পার্থ। প্রশ্নের তালিকা নিয়ে হাজির হচ্ছে সিবিআই।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই উপদেষ্টা কমিটির দুই সদস্য শান্তি প্রসাদ সিনহা, অশোক সাহাদের গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের হেফাজতে প্রসন্ন রায়, সুব্রত মালাকার এবং সুদীপ সিংয়ের মতো মিডলম্যানরা। তাঁদের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যোগ রয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে সিবিআই।

একইসঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল? সবটা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে সিবিআই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঠিকানা প্রেসিডেন্সি জেল। সিবিআই তাদের আবেদনে বলেছে, শুক্রবারই পার্থকে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে আলিপুরের আদালতে হাজিরা দিতে হবে। পার্থকে জেল হেফাজত থেকে সিবিআই হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে সেখানেই।
গতকাল পার্থ চট্টোপাধ্যায় শুনানি চলাকালীন ইডির দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির ক্ষেত্রে ১০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই দুর্নীতির টাকা একাধিক বেনামি সংস্থার নামে সাদা করা হয়েছে। সেই কোম্পানিগুলির অস্তিত্ব শুধুমাত্র কাগজে কলমে। তাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন পমনে করছে সিবিআই।
প্রশ্নের তালিকা নিয়ে হাজির হচ্ছে সিবিআই, চাপ বাড়ছে পার্থর

অন্যদিকে, আজ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়গ দুর্নীতি মামলায় রাজ্য ও দিল্লির ৬ টি জায়গায় অভিযান চালায় সিবিআই। শুধুমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায় নয়, সিবিআইয়ের স্ক্যানারে রয়েছে তৃণমূলের একাধিক নেতা। আগামী দিনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিপদ বাড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।









