নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিরোধীদের চাপে ব্যাকফুটে যোগী! গণধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। হাথরাস গণধর্ষণ কান্ডে সোচ্চার গোটা দেশ। হেভিওয়েট অভিনেতা-অভিনেত্রী সকলেই এহেন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এদিকে এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছে বিরোধীরা।
আরও পড়ুনঃ রাহুলের জেদের কাছে হার মানল যোগী সরকার ।


বিরোধীদের চাপে ব্যাকফুটে যোগী! ঘটনার জল এতটাই গড়িয়েছে যে যোগী প্রশাসনকে বরখাস্তের দাবি জানিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে আজ যোগী আদিত্যনাথ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন। এদিকে আজ হাথরাসের নির্যাতিতার পরিজনদের সঙ্গে দেখা করতে যান রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। গতকাল তাঁদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপরিকে কার্যত ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হয়। একই ভাবে গতকাল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে আটকে দেয় পুলিশ। সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন কে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়।
রাহুলের জেদের কাছে হার মেনেছে যোগী সরকার। শনিবার ফের নিজেরাই গাড়ি চালিয়ে হাথরসের উদ্দেশ্য রওনা দেন প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুল গান্ধী। আজ সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী অধীর রঞ্জন চৌধুরী ছাড়াও আরও ৩৪ জন সাংসদ । উত্তরপ্রদেশ সরকাররের পক্ষ থেকে তাদের হাথরাস যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় ব্যাপক চাপের মুখে। প্রথমে তাঁদের পথ অবরুদ্ধ করে দেয় পুলিশ।
কিন্তু প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুলের রনংদেহি মুর্তিতে পিছু হঠে পুলিশ। সরকারি নির্দেশ পৌঁছে যায় তাঁদের পথ ছেড়ে দেওয়ার জন্যে। তবে কংগ্রেসের সামগ্রিক প্রতিনিধি দলকে অনুমতি না দিলেও ৫-জনকে হাতরাস যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।


এদিকে একই দিনে কলকাতায় হাথরাস গনধর্ষন কাণ্ডের প্রতিবাদে বিরাট মিছিল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে কালো কাপড় নিয়ে মিছিলে হাঁটেন তিনি। কলকাতার বিড়লা প্ল্যানেটেরিয়াম থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল চলে। প্রতিবাদ মিছিলের সর্বাগ্রে হেঁটে মিছিল কে নেতৃত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।








