নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাহুলের জেদের কাছে হার মানল যোগী সরকার । হার মানেনি রাহুল-প্রিয়াঙ্কা । হাথরসের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেনই তাঁরা । তাই শেষমেশ তাঁর কাছে হার মানল যোগী সরকার । শনিবার ফের নিজেরাই গাড়ি চালিয়ে হাথরসের উদ্দেশ্য রওনা দেন প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুল গান্ধী। আজ সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী অধীর রঞ্জন চৌধুরী ছাড়াও আরও ৩৪ জন সাংসদ । উত্তরপ্রদেশ সরকাররের পক্ষ থেকে তাদের হাথরাস যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘বিজেপি নেতা মানেই চূড়ান্ত কাপুরুষ’, বললেন তৃনমূল সাংসদ নুসরত।


তবে কংগ্রেসের সামগ্রিক প্রতিনিধি দলকে অনুমতি না দিলেও ৫-জনকে হাতরাস যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আজ হাতরাস-এ নির্যাতিতার পরিবারের সাথে দেখা করার জন্য কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল রওনা হয়েছিল।দিল্লি-নয়ডা ডাইরেক্ট ফ্লাইওভারের কাছে বিশাল ব্যারিকেড করে রাস্তা আটকে দেয় পুলিশ।কংগ্রেস প্রতিনিধি দলের সাথেই সেখানে জড়ো হয়ে যান,কয়েক হাজার কংগ্রেস সমর্থক।পুলিশ কংগ্রেস নেতাদের জানায়,৫-জন প্রতিনিধিকে তারা হাথরাস যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবারও রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা হাথরাস যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
কিন্তু দিল্লি- নয়ডা সীমান্তেই তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। রাহুল গান্ধী একা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চেয়েছিলেন, উত্তরপ্রদেশ সরকার সেই অনুমতিও দেয়নি। রাহুলদের আটকাতে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নিষেধাজ্ঞা সত্বেও রাহুল হাথরাসে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে তাঁকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে। কলার ধরে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে।
কিন্তু তাতে দমে না গিয়ে আজ ফের সদলবলে হাথরাসের উদ্দেশ্যে রওনা দেন কংগ্রেস নেতা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের ৩৫ জন সাংসদ এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতা। দিল্লি-নয়ডা সীমান্তে আজ ফের আটকে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু এদিন রাহুলদের সঙ্গে কয়েক হাজার কংগ্রেস কর্মী উত্তরপ্রদেশ-দিল্লি সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন।


রাহুলের জেদের কাছে হার মানল যোগী সরকার ।রাহুলদের অনুমতি না দিলে এই কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যেত। সেটা বুঝতে পেরেই সম্ভবত এদিন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সমেত মোট ৫ জনকে হাথরাস যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এদিকে আজই হাথরাসে গিয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন উত্তরপ্রদেশের শীর্ষ দুই পুলিশকর্তা। তাঁরা আশ্বাস দিয়েছেন, এই ঘটনার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।








